মুখোশ ২

মুখোশ ২

ক্লাস এ স্যার নেই সবাই আড্ডা দিচ্ছি। এমন সময় ফোন বেজে উঠলো। আমি ফোন ধরে, ওপাশ থেকে ” “ভাই তারাতারি একটু হসপিটাল আসেন। সিয়াম কে কারা জেনো মেরে ফেলে রেখে গেছে””আমি কিছু না বলে ফোন রেখে, বাইক হসপিটাল এর দিকে রওনা দিলাম

আমি ড্রাইভ করছি আর ভাবছি কে বা কারা সিয়ামকে মেরে ফেলে রেখে গেল।
ভাবতে ভাবতেই হসপিটালে পৌছে গেলাম। বাইক রেখে ভিতরে গেলাম গিয়ে দেখি রাফি, জয়, নীল আর সিয়াম

আমিঃ কিরে রাফি সিয়াম এখানে কে ডাক্তার কই….
রাফিঃ থানা থেকে অনুমিত ছারা নাকি ডাক্তার কিছু করবে না।
আমিঃ চল ডাক্তার এর কাছ থেকে একটু ঘুরে আসি।
আমি রাফি আর জয় ডাক্তার এ খোঁজে গেলাম নীল কে সিয়াম এর কাছে রেখে গেলাম।

ডাক্তার এর রুম এর সামনে গিয়ে
রাফিঃ স্যার আসতে পারি…….???
ডাক্তারঃ হুম…….
ভিতরে গেলাম
ডাক্তারঃ থানা থেকে অনুমতি এনেছেন…??
আমিঃ স্যার আপনি চিকিৎসা সুরু করেন আমি নিয়ে আসতেছি…..
ডাক্তারঃ সরি এটা আমি পারব না।
আমিঃ অই এলাকার পরিচিত এক এস আই কে ফোন দিলাম…. সে হসপিটাল এর পাশেই ছিল আসার পর সিয়াম এর চিকিৎসা সুরু হলো

তারপর এস আই কে কিছু টাকা দিয়ে বিদায় করে দিলাম
আমি আর রাফি চা খাচ্ছি….
রাফি বলল হঠাৎ সিয়াম এর ওপর আক্রমণ হয়ার কারন কি……???
আমিঃ সেটাত বুঝতে পারছি না কে বা কারা কিসের জন্য সিয়াম কে এভাবে মেরেছে……
আমি রাফিকে খোঁজ নিতে বললাম আর
সবাই কে সাবধানে থাকতে বলে, বাইক নিয়ে বাসার চলে আসলাম………

আমি সাইফ অনার্স থার্ড ইয়ার। রাফি, জয়,নীল,সিয়াম কলেজের ছোট ভাই। একই এলাকাই থাকি……কলেজে আর এলাকাই সবাই আমাদের খুব ভালো জানে
আজ কারা যেন সিয়াম কে মেরেছে তাই একটু চিন্তা হচ্ছে

ছাদে বসে নিকোটিন টানছি….
এমন সময় রাফি ফোন দিল। সিয়ামকে কারা মেরেছে তার খোঁজ পাওয়া গেছে……
সিয়াম একটা মেয়েকে পছন্দ করত সেই মেয়ের বিএফ আর তার বন্ধুরা…..

আমি, রাফি, সিয়াম নীল, আর জয় বাইক নিয়ে ছেলে গুলোর সাথে দেখা করতে গেলাম। গিয়ে ক্ষমা চেয়ে আসল সিয়াম……সেদিন আর আর কথাও গেলাম না বাসাই কাটাইলাম….
পরেরদিন শুনলাম তিন জন নিখোঁজ………

পরে দিন কলেজে গেলাম গিয়ে ক্লাস করে বের হয়ে ক্যান্টিন এ গিয়ে কিছু খাওয়া দাওয়া করলাম করে ফ্রেন্ডদের সাথে আড্ডা দিয়ে বাসায় যাওয়ার সময় গেরেজ থেকে বাইক নিতে গিয়ে আরেকটা বাইক এর সাথে ধাক্কা লেগে পরে গেল। বাইক টা নতুন পড়ে যাওয়ার কারনে কিছু দাগ হয়ে যাই দেখে বোঝা গেল অনেক দামি। এমন সময় বাইক এর মালিক এসে সব দেখে আমার কলার চেপে ধরলেন আর তার কিছু ফ্রেন্ড কে ডেকে আমাকে মার সুরু করলো।
আমার ফ্রেন্ডরা আরও অন্য ছেলেরা এসে ওদের আটকালো। তারপর আর আমার মিনে নেই।

নিজেকে হসপিটাল এর বেডে আবিষ্কার করলাম।
দেখলাম রফি,সিয়াম জয়, নীল আমার পাশে বসে আছে…
আমাকে তাকাতে দেখে রাফি বলল ভাই এখন কেমন আছে…
ভালো…

তেমন মারতে পেরেছিল না। তারপরের দিন কলেজে গিয়ে জানতে পারলাম নেতা স্টুডেন্ট আমাকে মেরেছে….
তাদের সব খোঁজ নিতে বললাম রাফিকে…..
তার পর তাদের কাছে গিয়ে ক্ষমা চেয়ে আসলাম……

আপনারা হয়ত ভাবছে সবার কাছে কেন ক্ষমা চেয়ে আসতেছি……
ক্ষমা চাইতে যাওয়ার অনেক কারন আছে…
ক্ষমা চাইতে গেলে তাদের সাথে পরিচয় হওয়া যাই এবং নিজের পরিচয়টা দিয়ে আসা যাই তার জন্য সবার কাছে ক্ষমা চাইতে যাই

রেগুলার কলেজে যাই ক্লাস করি…..
এর এ ভিতর এক্সাম চলে আসল পড়াশোনাতে খুব মোনযোগী হলাম………
এখন বাসা থেকে খুব একটা বের হই না….
আজ বিকেল একটু যব…….
বিকেলে বাইরে গেলাম সবাইকে ফোন দিলাম। এলাকার ক্লাব আসার জন্য, প্রায় সাথে সাথে সবাই ক্লাব এ চলে আসল।

আমি সবার উদ্দেশ্যে বললাম…….
ব্যাবসার কি অবস্থা সবাই বলল ভালো
আমি বললাম সবধানে থাকবে আর কোনো সমস্যা হলে আমাকে জানাবে
বলেই বাসাই চলে আসাম…..
এসে দেখি বাসাই পুলিশ এসেছে……
আমি রুম থেকে কিছু টাকা পুলিশ কে দিয়ে বিদয় করে দিলাম

এক্সাম শেষ….
তাই আমাদের ডিপার্টমেন্ট এর সবাই পিকনিক এ যাবে
আমার যাওয়ার ইচ্ছে নেই। তবে সবার জোড়াজুরিতে যেতে হবে। আমি রাফিকে সব বুঝিয়ে দিয়ে পিকনিকে চলে গেলাম।

পাঁচ দিন পরে পিকনিক থেকে ফিরলাম তার পর রাফির ফোন…..
আমিঃ সব ঠিক আছেত….
রাফিঃ না ভাই…….একটা পুলিশ ঝামেলা করছে…..
আমিঃ দেখ পুলিশ কি চায়????
রাফিঃ সৎ অফিসার…….
আমিঃ যেভাবেই পারো ক্লিয়ার করো…….
ফোন রেখে দিলাম……

এর মধ্যে কলেজে ইলেকশন….
এই কইদিন খুব ঝামেলাতে আছি….
ওই দিকে ব্যাবসাতে ঝামেলা চলছে…
আবার ইলেকশন… প্রতিবার বিনা প্রতিদন্দীতেই প্রার্থী নির্বাচিত হই।
তাই এবার আমি নীল কে প্রার্থী দাঁড় করিয়ে দিয়েছি এইটা নিয়ে হুমকি আসছে। নীল যেনো নির্বাচন না করে।

আমি নীল কে নামিয়ে নিলাম…….
এর পর আবার বিনা প্রতিদন্দীতেই প্রার্থী নির্বাচিত হলো

নির্বাচন এর কিছু দিন পরে আমি কলেজে থেকে বাসাই ফেরার সময় কিছু অগ্যাত লোক এসে আমাকে মেয়ে পা ভেংগে দিয়ে গেলো……

আমি হসপিটাল এ আবার ভর্তি হলাম…
আর রাফিকে বললাম আবার খোঁজ নাও….
আমি হসপিটাল থেকে ছাড়া পাওয়ার আগেই সবার খোঁজ নেয়া হয়েছে…..

রাফিকে বললাম ওদের সবাইকে তুলে আমাকে যেখানে মেরেছিল সেখানে নিয়ে আসতে….
রাফি আমার কথা কলেজের গেইট এর সামনে নিয়ে এসেছে…….

ওদের সবাই হাত পা ভেংগে ফেলে রেখে দিলাম…..

তার পর কলেজে আমার মুখোশ খুলে গেলো….

আসলে আমি একজন বখাটে। কলেজ আর এলাকাই কেও আমার মুখোশের নিচের চেহারা সম্পর্কে জনত না।
সবাই আমাকে ভালো বলেই জানত। সেদিন সিয়াম কে আমাদের বিপক্ষীয় দল মেরেছিল…..

আগে বলেছিলাম যে আমরা সবার কাছে কখনো ক্ষমা চাইতে যেতাম….না

আসলে তাদের শেষ করে দিতাম….

মুখোশ খুলে যাওয়ার পর আমি আমার ব্যাবসা প্রকাশে করতে লাগলাম

ফাইনাল ইয়ার এ উঠে পরলাম….
কলেজে বখাটে নামে পরিচিত হয়ে গেলাম সবাই আমাকে ভয় পেত……সাথে ঘৃণাটা ফ্রিতে পেতাম….
কলেজে যারা আমাকে ভালো ভেবে বন্ধুত্ব করেছিল এখন সবাই আমাক্র ঘৃণা করে আমার সাথে কথাও বলে না

কেউ কখনো জানতে চাইনি আমার খারাপ হওয়ার পিছনে কে, কারা বা কেন………..
হুম আমার খারাপ হওয়ার পিছনে কারন আছে……..

সুধু আমার না সবার খারাপ হওয়ার পিছনে কারন থাকে
কেউ কখনো সেটা জানার বা বোঝার চেস্টা করে না…
কেউ ভালবেসে জানতে চাই না কেন এমন হলাম…….

আমার খারাপ হওয়ার কারণটা ও অপ্রকাশিত থেকে  যাক……

যত দিন যেতে লগলো কলেজের সবার কাছে আমার অবস্থা আরো খারাপ হতে লাগলো…..
এভাবে কলেজে আমার বদনাম চারিদিকে ছড়িয়ে যেতে লাগলো…
কলেজে সবার কাছে আমি যতটা খারাপ ছিলাম…
তেমনি স্যারদের কাছে খুব ভালো ছিলাম কারন কলেজের প্রথম সারির ছাত্র-ছাত্রীদের ভিতরে আমার নাম থাকতো তাই স্যার দের কাছে আমার সুনাম ছিল

হঠাৎ প্রিন্সিপাল স্যার আমাকে ডেকে পাঠালেন
আমি স্যার এর রুম এ গিয়ে
আমিঃ স্যার আসতে পারি…..?
স্যারঃ হুম……তোমার নামে এসব কি শুনছি…..??
আমি তো একটু ঘাবরিয়ে গেছি কারন এর আগেও অনেক বার এসেছি এই রুম এ…সব সময় স্যার আমাকে বসতে বলত তারপর সব খোঁজ খবর জনতে চেয়ে…. দরকারি কথা বলত কিন্তু আজ একটু ব্যাতিক্রম
আমিঃ কি সব শুনছেন…….????
স্যারঃ তুমি নাকি কলেজে মাস্তান হয়েছ….এসব কি সত্য
আমিঃ হুম……<মাথা নিচু করে স্যার এর দিকে তাকানোর মত সাহস নেই)
স্যারঃ তোমার কাছে এটা কখনো আসা করিনি….হঠাৎ কি এমন ঘটলো যে একবারে বখাটেদের খাতাই নাম লিখালে……??
আমি কিছু বলছি না চুপ আছি
স্যারঃ কথা বলো এই পাঁচ বছর ধরে তোমাকে চিনি….
কখনো তোমার বিষয়ে একটা অভিযোগ নেই হঠাৎ করে….
আমি চুপ আছি কিছি বলছি না দেখে বললো এই কয়দিনে খুব বেয়াদব হয়ে গেছো
আমিঃ আসলে স্যার আমার খারাপ হওয়ার পিছনে অনেক বড় একটা ঘটনা আছে…
স্যারঃ কোনো মেয়ে ঘটিত…..
আমিঃ হুম…..
স্যারঃ আরে এই সব মেয়ে তো আসবে আর জাবে এর জন্য এমন রাস্তায় কেও যাই…….
আমিঃ স্যার আপনি যা ভাবছেন আসলে এমন কিছু না…..আপনি আমাকে যতদিন চেনেন সবটা মুখোশধারী চেহারা….
আমি অনেক আগে থেকে এমন সুধু সবার কাছে ভাল মানুষ এর মুখোশ পরে ছিলাম…
স্যারঃ আমাকে সব খূলে বলো…
আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না…

আমিঃ অযথা আপনার মূল্য বান সময় নষ্টো হবে….
স্যার এর জোড়াজুরিতে শেষে সব ঘটনা খুলে বললাম

★★
আমি তখন ক্লাস টুতে পড়ি…..
আমার বাবা এলাকার বড় রাজনৈতিক নেতা ছিল
এলাকাই সবাই তাকে ভয় পেত…
না
তাকে সবাই ভালবাসত এলাকার সবাই বাবার জন্য মরতেও রাজি….
আমার বাবারা দুই ভাই আমার বাবা আর আমার একটা চাচা আছে….
বাবা কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দিত না…যেই অন্যায় করত তাকে শাস্তি দিত….
আমার চাচা শহরে লেখাপড় করে তিনি লেখা পড়া শেষ করে গ্রামে আসে
যেখানে ভাল মানুষ থাকে সেখানে খারাপ মানুষের অভাব থাকে না…..
আমার বাবারও কিছু বিরোধী দল ছিল……
আগেও বাবাকে অনেক বার মারার চেস্টা করা হয়েছে কিন্তু সফল হতে পারেনি…..

চাচা গ্রামে আসার পর চাচারর বিয়ে দেয়া হই….
পাসের গ্রামের আরেক রাজনৈইতিক নেতার বোন এর সাথে খোঁজ খবর নিয়ে খুব ধুম ধাম করে বিয়ে দেয়া হই…
বিয়ের কিছু দিন পর আমাকে কিডন্যাপ করে কিছু লোক….
সেখান থেকে বেঁচে ফেরার পর আমাকেও শহরের একটা আবাসিক স্কুল এ ভর্তি করে দেই…..
প্রতিদিন বাড়িতে কথা বলতে পারতাম না….
সপ্তাহয় একদিন কতথা বলতাম
একদিন মা বলল আমি যেন এখন বাড়িতে না যায়….
আমি জানতে চাইলাম কেনো…..
মাঃ এলাকার অবস্থা ভালো না
আমিঃ কিছু দিন পরে তো ঈদ তখন আমি বাড়িতে যাব…
মাঃ তোর বাবা কে বলে দেখি কি বলে…

ছুটিতে বাড়িতে যাচ্ছি…
চাচ্চু নিতে আসে আমাকে…
কিছু দুর আসার পর বিরোধী দলের কিছু লোক আমাদের গাড়ি থামাই আমি ভয়ে চাচ্চু কে জোরিয়ে ধরি…..
সবাই আমাকে আর চাচ্চুকে আলাদা করে…
আমার চাচ্চু কে হত্যা করে…
আমার চোখের সামনে আমার চাচ্চুর মাথা কেটে ফেলে…
আমাকে যখন মারতে যাবে তখন আমার বাবার লোকেরা পৌছে যায় তাই সেদিন।আমি বেঁচে গেছিলাম….

সেদিন খুব কেঁদেছিলাম…
আমার চাচ্চু আমাকে খুব ভালবাসত…আমিও চাচ্চুকে ভালবাসতাম…..
ছোটো ছিলাম যে বেশি আদর করত তাকে তো ভাল লাগবেই…

সেই চাচ্চু কে আমার সামনে হত্যা করা হই….
পুলিশ সেদিন তাদের বিচার করতে পারেনি….
আসলে যারা সৎপথে থাকে তারা কখনো সঠিক প্রত্যাশা অনুযায়ী কিছুই পাই না….

তার পর পাঁচ বছর এলাকাই কনো ঝামেলা ছিলনা
বাবা ভেবেছিল হইত সব ঠিক হয়েগেছে আমি যখন ক্লাল সেভেন এ পড়ি তখন বাড়িতে এসেছি….
এখন এলেকাই তেমন সমস্যা না থাকাই মাঝে মাঝে বাড়িতে আসতাম…

বসে আমি আর চাচি বসে গল্প করছি এমন সময় বাবা বাড়িতে ফিরল…
বাবার চোখে মুখে টেনশন এ ছাপ মা এসে বাবাকে জিজ্ঞাসা করল কি হয়েছে তুমি এত ঘামছ কেনো….

বাবা তাকে নাকি মারার চেস্টা করা হয়েছে……
সেদিন থেকে আবার গ্রামে আগুন জ্বলতে সুরু করে….
আমাদের বাড়তে কড়া পাহারারর ব্যাবস্থা করা হই….
রাতে সবাই খাওয়া দাওয়া করছি এমন সময় একজন পাহারাদার প্রবেশ করল…
আমার বাবা তখন খাওয়া সুরু করছে…
পাহারাদার এসে আমার বাবার মাথাই আঘাত করল….
আমি চিৎকার করে উঠলাম…….
বাবার মাটিতে পরে গেছে…….
আমি ভয়ে চাচিকে জোরিয়ে ধরে কান্না করছি মা বাবার পাসে বসে কাঁদছে…
তখন সবাই আমাদের খাবার ঘরে প্রবেশ করল মোট পাঁচ জন ছিল তার ভিতরে বেশি বিশ্বস্ত দুই জন এসে আমার বাবাকে তুলে বিছানায় সুয়ে দিল…
এবার দুই জন আর তিন জন এর ভিতরে মারামারি সুরু হয়ে যাই আমার বাবা চোখ খুলে আমাকে আর চাচি কে পালিয়ে যেতে বলে আমি আর চাচি যেতে রাজি হই না তখন আমার মা আমাকে দিব্যি দিয়ে পাঠিয়ে দেই আমি আর চাচি বাড়ির পিছন গেইত দিয়ে বের হয়ে যাই পরে দুইটা গুলির শব্দ শুনতে পাই…
আমি বাড়ির দিকে ফিরে সুধু কান্না করছি…চাচি আমাকে জোর করে নিয়ে যাচ্ছে…

আমি আর চাচি…
চাচির মায়ের বাসাই চলে গেছিলাম….পরে সব যানতে পারি আমার বাবা মা কে ওরা হত্যা করেছে…
সেদিন আমাকে আমার বাবা মায়ে কাছে যেতে দেয়া হইনি…
তাদের কে শেষ দেখা দেখতে দেয়া হইনি….
চাচি আমাকে বড় করে তোলে…
লেখা পড়া সেখাই….
বাবার রেখে যাওয়া সম্পদ সব খুনীরা দখল করে নিয়েছিল….
বাবা আমার জন্য কিছু টাকা জমিয়েছিল যেটা বাবার মৃত্যুরর পর আমাকে এত দূর আস্তে সাহায্য করেছে…
এখন আমার…..

সেদিন থেকে আমি মুখোশ পরেছি
সবার সামনে ভাল…
কিন্তু আরালের চেহেরা কেও দেখেনি…
আমার বাবাকে ওরা খাবার খেতেও দেইনি…
তার প্রতিশোধ নেয়ার জন্য…..

আজ আমার এই অবস্থা আমি অল্পদিন ভিতরে গ্রামে ফিরে যাব এবং তাদের প্রতিশোধ নেব…..
এখন আমার অনেক ক্ষমতা আর অনেক অর্থ সম্পদ
মুখোশ টাও খুলে গেছে

স্যার কে সব বলার পর চুপ করে থাকলাম……..
স্যার আমাকে কিছু বলছে না চুপ করে আছে…

আমি স্যার এর রুম থেকে বের হয়ে গেলাম

কলেজের সব ফ্রেন্ডস এর কাছে বিদায় নিয়ে কলেজ থেকে চলে আস্লাম
জিনিসপত্র গুছিয়ে রওনা দিলাম কিছু পুরোনো বোঝাপড়া করতে আর বাবার স্বপ্ন সফল করার উদ্দেশ্যে

জানিনা লক্ষে পৌছাতে পারব কিনা…..
বুক ভরা আসা নিয়ে চেনা শহর ছেরে চলে যাচ্ছি

জানিনা আর কখকনো শহরে ফিরতে পারব কিনা……..

……………………………………………..সমাপ্ত……………………………………….

 

গল্পের বিষয়:
ছোট গল্প
DMCA.com Protection Status
loading...

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত