ছায়াময়

ছায়াময়

— এই প্রহর শোনো?
— হুম বলো…
— তুমি পড় কখন?
— কেনো হঠাৎ এই প্রশ্ন?
— না মানে তোমাকে কখনো ক্লাসে পড়ালেখা করতে দেখিনা।আর সারাদিন থাক ক্রিকেট নিয়ে।বাসায় পড় কখন?
— ধুর!পড়াশোনা করে কে বড় হইছে?
— কি বলো তুমি?
— দেখ রুশা….আমি ক্রিকেট আর ফ্রেন্ডস নিয়েই অনেক হ্যাপি।তাই আপাতত স্টাডি নিয়ে ভাবি না।চলি,কাল দেখা হবে…
একা একা দাড়িয়ে আছে রুশা..ভাবছে কি আজব ক্যারেক্টারের ছেলে!যে কিনা নিজের ভালো বোঝে না।
মেয়ে বন্ধু আমার তেমন বেশি নেই।রুশা আমার অনেক কাছের একটা বন্ধু।মেয়েটার মাথায় পড়া ছাড়া কিছু নেই।পড়া পড়া করে আমার মাথাটাও খায়!আমি স্টুডেন্ট হিসেবে মোটামুটি।কিন্তু ক্যাম্পাসে ব্যাটসম্যান হিসেবে আমি পরিচিত একটা মুখ।আজও একটা সেঞ্চুরি করলাম চল্লিশ বলে।যতক্ষন আমি মাঠে থাকি মেয়েটা ততক্ষণ খেলা দেখে।আমার অনেক টেককেয়ার
করে।খুব ভালো বন্ধু আমরা।কিন্তু তাও একে অপরকে তুমি করেই বলি।তুমিটা যে কেনো তুই হলোনা সেটা কেউই বলতে পারবো না।শুধু জানি যে ও যদি কাছে না
থাকে তাহলে ভীষণ মিস করি ওকে।ভালোও বাসি অনেক,কিন্ত রুশা সেটা জানে না।বলিনি কখনো তাই হয়তো।
আজ ইচ্ছা করে কলেজে যাইনি।আলসেমি পেয়ে বসছে কেমন যেন!রুশার ফোন আসলো হঠাৎ…
— আজ আসলে না কেনো কলেজে?
— এমনি ভালো লাগছিলো না…
— ও আচ্ছা,কি করছো এখন?
— ফোনে গেম খেলছিলাম।তুমি কি কর?
— কিছু না।মাত্র বাসায় আসলাম কলেজ থেকে।
— আচ্ছা রুশা তোমার সেই অচেনা বালকের কি খবর?
— আর বলোনা প্রহর!সেই আগের মতোই একটা করে
মেসেজ দেয় “ভালোবাসি রুশা”
ফোন দিলেই বন্ধ পাই।
— আহারে…বেচারা এত্ত ভিতুর ডিম একটা!
— যদি বেটাকে ধরতে পারিনা কান গরম করে দিবো।
— হা হা হা
— আমি হাসির কিছু বলিনি।প্রহর শোন…
— শুনছি বলো…
— আজ সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবার শীতে কক্সবাজার
ট্যুরে যাবো।তুমিও চলোনা।
— হুম সুন্দর স্পট।কিন্ত আমি যেতে পারবোনা।
— কেন প্রহর ?
— সবার সাথে থাকতে আমার ভালো লাগে না।যদি কয়েজন বন্ধুরা
মিলে আয়োজন করা হতো তাহলে যেতাম।
— এখানে তো বাইরের কেউ যাচ্ছে না।শুধু আমাদের
ডিপার্টমেন্ট এর স্টুডেন্ট।
— আচ্ছা ভেবে দেখবো।
— প্লিজ প্রহর না করো না।
— কবে যাচ্ছো?
— সামনের মাসেই।
— আচ্ছা যাবো…
— সত্যি?
— হ্যা…
— থ্যাংক ইউ প্রহর।
এই একটা মেয়ে আমাকে কিছু বললে আমি ফেলতে পারিনা।তাই আজ ওদের সাথে ট্যুরে যাচ্ছি।রুশাকে বলেছিলাম আমার টিকিট টা নিয়ে নিতে।কারণ কলেজ থেকে
আমার বাসা কিছুটা দূরে তাই পৌঁছাতে কিছুটা লেট হলো।রুশা দুটো টিকিট পাশাপাশি নিয়েছে।ও জানালার পাশে আর আমি ওর পাশে বসে আছি।বিকেল শেষের পথে,সূর্য ডুবি ডুবি করছে।কক্সবাজার পৌঁছাতে প্রায় সকাল হয়ে যাবে।পেছনের ছেলেরা সাউন্ড বক্সে হাই ভলিউমে গান বাজাচ্ছে।রুশা বাইরের প্রকৃতির সাথে
মিশে আছে।আর আমি নির্লজ্জ হয়ে ওর মুখে পড়া গৌধুলীর রক্তিম আভায় অভিভূত হয়ে তাকিয়ে আছি।বাতাসে ওর লালচে চুলগুলো নেচে বেড়াচ্ছে।মেঘের মত ভেসে আসছে সেটা। আমার চোখেমুখে পরশ বুলিয়ে দিচ্ছে।হঠাৎ রুশা আমার দিকে তাকালো।আমি তখনো ওকে দেখে যাচ্ছি।
— প্রহর?
— (………)
— ওই প্রহর….
— (সংবিৎ ফিরে পেলাম।খানিকটা ইতস্তত বোধ হলো) উম….
— কি দেখছিলে ওইভাবে?
— কি…কিছুনা।
— কিছুনা মানে?আমি কি ভুল দেখেছি?
— তুমি অনেক সুন্দর…
মনেহয় ও খানিকটা লজ্জা পেলো।মুখটা ঘুরিয়ে আবার জানালার দিকে নিয়ে গেলো।মুখে হাসিটা লেগে আছে।পকেট থেকে ফোনটা বের করে ওর অগোচরে কয়েকটা ছবি তুলে নিলাম।আনমনে হাসছি নিজের সাথে।দুজনেই চুপ করে আছি।মাঝে-মাঝে দু একটা কথা হচ্ছে।সন্ধ্যা নামতে শুরু করেছে।সবকিছু চোখের সামনে ঝাপসা
হয়ে গেলো।সামনে শুধু বাসের হেডলাইটের আলো। বাসের ভেতরটাও আলোকিত।সে আলোয় নতুন এক রুশাকে খুজে পেলাম।আকাশে চাঁদ নেই ঠিকই।কিন্তু আজ আমার আকাশের চাঁদটা ঠিকই আছে।মনেমনে নিজেকে ধন্যবাদ দিচ্ছি ট্যুরে আসার জন্য।
— রুশা…?
— হুম…
— তোমাকে একটা কথা বলি?
— হুম…
— কি হুম হুম করছ?কথা বলতে পারছো না?
— বলো শুনছি তো…
— কিছু মনে করবে না তো?
— আরে নাহ!তুমি বলো…
— বলছিলাম যে,আমি…আচ্ছা রাতে
ঘুমাবে না? (ভালোবাসি বলতে গিয়েও পারলাম না)
— উম…?ও হা ঘুমাবো।(শালার গাধা তুই কি বলতে চাস সেটা কি আমি
জানি না)
— আচ্ছা রুশা তুমি কি স্বপ্ন দেখ?
— স্বপ্ন কে না দেখে?আমিও দেখি…
— কি স্বপ্ন দেখ?
— কোন স্বপ্নের কথা বলছো?
— ধর এমন কেউ,যাকে নিয়ে তোমার ভাবতে ভালো লাগে।
— হুম দেখি…
দেখি যে কেউ একজন আছে যে আমার হাত ধরে সারা পৃথিবী ঘুরবে।তার বাহুতে মাথা রেখে আমি নিশ্চিন্তে ঘুমাবো।তার সাথে কথা বলে রাত পার করে দিবো।আর সারাক্ষন আমার পাশে বসিয়ে রাখবো যেন কোথাও না যেতে পারে আমাকে ছেড়ে।
— বা বাহ…..তা সেই মানুষটাকে কি পেয়েছো খুঁজে?
— উমম হু…তবে পেয়ে যাবো!
— কাউকে পছন্দ করো?
— উমম করি তো,সেও আমাকে অনেক পছন্দ করে।
আর কোনো কথা বললাম না।মনটা খারাপ হয়ে গেলো ওর কথা শুনে।অন্য কারো অস্তিত্ব কল্পনাও করিনি রুশার সাথে।ভেবেছিলাম মনের কথাটা বলে দেই।সেটা আর হলোনা….
রাত গভীর থেকে আরও গভীর হচ্ছে।কেউ কেউ ঘুমিয়ে পড়েছে।জানালা গুলো সব বন্ধ। তাও ঠান্ডার আচ পড়ছে চোখেমুখে।রুশা গায়ের চাদরটা আরও শক্ত করে জড়িয়ে নিলো।কানে হেডফোন লাগিয়ে বসে রইলাম।বাহুতে স্পর্শ পেয়ে ফিরে তাকালাম।মেয়েটা ঘুমিয়ে পড়েছে।নিষ্পাপ মুখটা জুড়ে রয়েছে রাজ্যের মায়া আর কোমলতা।চুলগুলো মুখের উপর ছড়িয়ে গেছে।আঙুল দিয়ে সেগুলো কানের কাছে গুজে দিলাম।
কিছুটা কেঁপে উঠলো ও।গুটিসুটি মেরে আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরল আমার হাত।নিজেকে খুব সুখি মনে হচ্ছে।কিন্ত যখনি ওর কথা গুলো মনে পড়ছে তখন ওকে পর মনে হয়।নাহ কালই ওকে বলে দেবো ভালোবাসি।কখন ঘুমিয়েছি জানিনা। খুব ভোরে ঘুম ভেঙে গেলো।রুশা তখনও আমাকে জড়িয়ে ধরেই ঘুমিয়ে আছে।ডাকতে ইচ্ছা হলো না,ওর ঘুমন্ত চেহারায় মন্ত্র মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে আছি।বাইরে চোখ যেতে খেয়াল হলো গাড়ি থেমে আছে।জানালা খুলে দিতেই বাতাসের ঝাপটা মুখে লাগলো।সেই সাথে সাগরের গর্জণ শুনতে পেলাম,হালকা আলোয় সাদা ফেনা জল দেখতে পেলাম।এ দৃশ্য
ভোলার মতো না…..
— রুশা…?
— (………)
— এই রুশা……
— উম…..
— আরে উঠো না।
ও কোন রকম চোখটা খুলে দেখে আমাকে আকড়ে ধরে আছে।সেই বিদ্যুৎ গতিতে উঠে পড়লো…
— আম সরি…..সরি!
— রাখ তোমার সরি।বাইরে দেখ…
— ওয়ায়াও…….প্রহর চলোনা বাইরে যাই।
— ওকে চলো…
বাইরে আরও বেশি ঠান্ডা।
— রুশা চল ফিরে যাই,এখানে অনেক বেশি ঠান্ডা।
— তো কি হইছে?আমি এখন পানিতে নামবো।
— মাথা খারাপ হলো নাকি তোমার?
— না হবে এখন!
বলেই জুতা হাতে নিয়ে হাটু পানিতে নেমে পড়ল।অবাক হয়ে ওর ছেলে মানুষী দেখতে লাগলাম।
— তুমিও আসো না।
— জ্বি নাহ।আমার ঠান্ডাতে সমস্যা আছে।
— প্লিইইজ প্রহর আসো না…..
ওর কথা না রেখে পারলাম না।আমিও নেমে পড়লাম পানিতে। দেখতে দেখতে সবাই সৈকতে ভীড় জমালো।পরিবেশে টা এত সুন্দর বোঝানো যাবে না।সূর্যটা পূর্বাকাশে একটু একটু করে উঁকি দিচ্ছে।
— প্রহর চলো…
— কই যাবো?
— চলো বলছি…
সবার থেকে একটু দূরে টেনে নিয়ে আসলো রুশা।একটা নারকেল গাছের গুড়িতে বসে আছি দুজন।
— কি হলো বলো।
— কি বলবো?
— আজব!কি বলবে বলে এখানে টেনে নিয়ে আসলে এখন
বলছো কি বলবে?
— আচ্ছা প্রহর তোমার কখনো কাউকে পছন্দ হয়নি?
— হুম হয়েছে তো।
— তাই?বলেছো তাকে?
— নাহ বলবো ভাবছি…
— তা বলছোনা কেন?
— জানি না।মনেহয় সে অন্য কাউকে পছন্দ করে,তাই বলতে
চেয়েও বলিনা।
— এমনও তো হতে পারে সে তোমাকে ভালোবাসে।
তোমার বলার অপেক্ষায় আছে সে।তুমি আমাকে বলো,আমি
তাকে বলে দেই…
— আমি যাচ্ছি…
আর কিছু বলার সুযোগ দিলাম না ওকে।আরে মেয়েটা কি বোঝে না আমি ওকেই পছন্দ করি,ওকেই ভালোবাসি।পেছন থেকে রুশার গলাটা ধীরে ধীরে মিলিয়ে গেলো।ও আমাকে ছাড়া অন্য কাউকে পছন্দ করতে পারে স্বপ্নেও ভাবিনি।সবাইকে ডাকা হলো ব্রেকফাস্টের জন্য।সবার ভেতরে রুশা কে খুঁজলাম।কিন্তু পেলাম না।সৈকতে গিয়েও খুঁজে পেলাম না।এবার সেখানে গেলাম যেখানে ও আমাকে নিয়ে গিয়েছিলো।গুড়িটার উপর এখনও বসে আছে।
— তুমি এখনও এখানে?
— এমনি ভালো লাগছিলো না তাই বসে আছি।
— তোমার কি মন খারাপ?
— কিছুটা
— কার জন্য?
— জানি না
— যাকে পছন্দ করো তার জন্য?
— (…….)
— কি হলো কিছু বলছো না যে?
হঠাৎ ও উঠে চলে যেতে লাগলো।বুঝতে পারলাম না কি হলো ওর।
— রুশা শোনো….
— বলো (পিছু না ফিরেই বলল)
— এদিকে তাকাও…
— ওহ প্রহর ভালো লাগছে না বাই।
— রুশা আই লাভ ইউ….
রুশা আমি জানি তুমি অন্য কাউকে পছন্দ করো।কিন্ত কি করবো বলো,আমি সেই প্রথম থেকেই তোমাকে অনেক ভালোবাসি।
— আজ কেন বলছো?
— জানি না….মনে হলো এখন যদি না বলি সারা-জীবন হয়তো না
বলাই থেকে যাবে।
— একটা মেয়ে এতদিন ধরে তোমার সাথে থেকেছে।
তোমার প্রতিটা পদক্ষেপে যার সঙ্গ রয়েছে এতদিনেও
বুঝলেনা সে কি চায়?
— মানে?
— কিছু না চলি….
— রুশা শোন….রুশা….রুশা প্লিজ।
ও আর পিছু ফিরলো না।দুপুর গড়িয়ে বিকেল নামলো।সেখানেই বসে রয়েছি।সাগরটা কত সুখি।ফেনা গুলো সবসময় তাকে পরশ বুলিয়ে দেয়।হঠাৎ দূর থেকে শোনা গেল বাসে ওঠার জন্য সবাইকে বলা হচ্ছে।যেতে ইচ্ছা হলোনা এখান থেকে।বসে রইলাম তাই।হঠাৎ খেয়াল হলো আমার ব্যাগ রয়েছে বাসের ভেতর,আর টাকাপয়সা সব ব্যাগে।ব্যাগ ছাড়া আমি ফিরে যেতেও পারবোনা।তাই ছুটে চললাম সেখানে।কিন্তু দেরি করে ফেলেছি।বাসটা ছেড়ে দিয়েছে।পকেট হাতড়ে ফোন বের করে দেখি সেটাও বন্ধ চার্জের অভাবে।না আছে থাকার জায়গা,না আছে খাবার।শব্দ করে হাসতে ইচ্ছা করছে।ধীর পায়ে সৈকতে হেটে আসলাম।একটু দূরে একটা নারীমূর্তি দেখতে পেলাম।চেনা চেনা মনে হলো।এগিয়ে গেলাম…..
— রুশা..?
— (ঘুরে দাড়ালো ও)
— তুমিও কি বাস মিস করেছো?
— হ্যা মিস করেছি কোনো প্রবলেম?
— না মানে,মনে হলো তাই বললাম।
— গাধা বললেও গাধাকে অপমান করা হবে…..
— কি বললে বুঝিনি?
— কিছু না ( ঝাড়ি মেরে চলে যেতে লাগলো)
— রুশা কিছু টাকা হবে?অনেক ক্ষুদা পাইছে।দুপুরে খাওয়া হয়নি।আর আমার ব্যাগটা বাসে রয়ে গেছে।আমার কাছে কোন টাকা নেই।
একটা পার্সেল বের করল ওর ব্যাগ থেকে।সেটা আমার সামনে ধরলো।মোড়কটা খুলে দেখি দুটো চিকেন স্যান্ডুইচ।গোগ্ রাসে গিলতে শুরু করলাম।
রুশার দিকে খেয়াল হতে দেখি চোখ মুছছে ও।খাওয়া শেষে ও আমাকে নিয়ে টার্মিনালে আসলো। বাসের ভেতর দুজনেই চুপ।ঘুম ঘুম লাগছে চোখে।গত রাতে ঘুম হয়নি তাই।হঠাৎ কারো ফুঁপিয়ে কান্নার আওয়াজ শুনতে পেলাম। পাশ ফিরে দেখি রুশা কান্নায় ফেঁপে উঠছে।
— এই রুশা কি হলো?
— (……….)
— রুশা আমাকে বলো কে কি বলেছে?সেই ছেলে কিছু
বলেছে তোমাকে?
হঠাৎ ও এদিক ফিরেই চড় বসিয়ে দিল আমার গালে!
— এটা কি হলো?
— ভালোবাসি তোকে!গাধা কখনো বুঝিস নি?বারবার তোর কাছে গিয়েছি তুই কখন বলবি সেটা শোনার জন্য।আর তুই বার বার ছেলেটা ছেলেটা করিস…….
ঠাসসসস……
এবারের থাপ্পড় টা আমি দিলাম!!
— আমি না হয় গাধা বুঝতে পারিনি,তুমিও তো বলতে পারতে
ভালোবাসো…
— আমার বাবা,মা কেউ কখনো আমাকে মারে নি।
— সরি…..(ওকে জড়িয়ে ধরলাম)
ভালোবাসি রুশা…..
— আমিও অনেক ভালোবাসি তোমাকে প্রহর………
— এই দাঁড়াও দাঁড়াও তুমি যদি আমাকে ভালোবাসো তাহলে তোমার ওই মেসেজ ওয়ালার কি হবে?যে তোমাকে প্রতিদিন “ভালোবাসি” বলে মেসেজ দেয়?
— এমন পাগলের কথা নিয়ে কে মাথা ঘামায়?
— তার মানে আমাকে নিয়ে তোমার মাথা ব্যথা নেই?
— কিইইইহ??তারমানে ওই মেসেজ গুলা
তুমি…………শয়তান ছেলে দাড়াও আজ তোমার….
বলেই মারতে শুরু করলো। গাড়ি ছুটে চলছে।আর রুশা ঘুমিয়ে পড়েছে আমার কাধকে বালিশ আর হাতকে কোলবালিশ বানিয়ে।আর আমি বলছি ভালোবাসি রুশা।

গল্পের বিষয়:
রোমান্টিক
DMCA.com Protection Status
loading...

Share This Post

সর্বাধিক পঠিত