মাই হাজবেন্ড

মাই হাজবেন্ড

রাত ১১টা নামকরা এক পাঁচতলা হোটেলের ধবধবে সাদা বিছানায় কালো রঙা শাড়ী পরে পেছনের বালিশে আধা শোয়া ভাবে শুয়ে আছে জিনিয়া। উঁচু মানের প্রস্টিটিউট সে। সাধারন মানুষেরা তাকে নিয়ে আনন্দ করতে পারে না। আর যারা পারে তারা করলে ঠিক “সেক্স” বলা যায় না। বলা হয় বিলাসিতা,বলা হয় এন্টারটেইনমেনট। আর নিচু দরের সাথে ওর আরো কিছু জায়গায় বৈষম্য আছে। নিচু দরের যারা আছে তাদেরকে আমরা মা*** বলি। আর তাদের কাছে আমরা “খদ্দের” আর জিনিয়াকে বলা হয় প্রস্টিটিউট। আর তাদের কাছে আমরা হলাম ক্লায়েন্ট। এই তো তফাৎ। আজও জিনিয়া এই পাঁচতারা হোটেলে এসেছে তার এক ক্লায়েন্টকে সঙ্গ দিতে। তাই তো তার পরনে আজ দামী শাড়ি আর গায়ে লেগে আছে দামী ব্রান্ডের মনকাড়া পারফিউম।কারন তো জানাই,সে তার ক্লায়েন্টকে খুশি করতে চায়।

আবির,একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করে । মাসে যে টুকু আয় করে তা তাঁর প্রয়োজনের থেকেও অনেক অনেক বেশি। জিনিয়ার আজ রাতের ক্লায়েন্ট সে। আবিরের ঘরে অসম্ভব সুন্দরী বউ। চেহারায় কোনো অংশে কম নেই আবিরের বউয়ের। শরীরেও কোনো অংশে কম নেই তার। একটি মেয়ের বিয়ের তিনবছর পরও যদি ৩৬-৩০-৩৬ থাকে, তবে তাকে নিতান্তই চোখ থেকে সরিয়ে নেয়া যায় না। আর আমরা পুরুষেরা তো ঠিক এরাকমই চাই তাই না? কিন্তু সুন্দরী বউ পেয়েও খুশি নয় আবির।

এক্সট্রা চাবি দিয়ে হোটেলের দরজা খুলে ভিতরে ঢোকে আবির। টান টান বিছানায় তাকিয়ে দেখে আধা শোয়া অবস্থায় জিনিয়াকে। প্রথম দেখাতেই অন্যরকম উত্তেজনা কাজ করা শুরু করে আবিরের ভেতর। জিনিয়াকে সে আগে সরাসরি চিনতো না। ওর এক কলিগ কাম ফ্রেন্ডই ওকে জিনিয়ার খোজ দিয়েছে। আধ শোয়া জিনিয়ার দিকে তাকিয়ে ওর চোখ দিয়ে সারা শরীরটাকে এক্সপ্লোর করতে থাকে আবির। আধা শোয়া জিনিয়ার হালকা ধরানোর অংশ দেখে আবিরের শরীরের অধবনীটা হিংস্র হতে থাকে। আবির আস্তে করে দরজাটি বন্ধ করে দেয়।

জিনিয়া টিভি দেখছিল,হালকা করে শব্দ হওয়ায় সে দিকে তাকিয়ে দেখে আবির এসেছে। জিনিয়া মুচকি হেসে বলে..
“মি. আবির?” আবির মাথা ঝাকায়। টিভিটা জিনিয়া বন্ধ করে সোজা হয়ে বসে। আবির জিনিয়ার সামনে সোজাসুজি হয়ে বসে। দুজনেই অপরিচিত থাকায় বিশেষ করে আবিরের কাজটি প্রথমবার হওয়াতে কেমন আনইজি ফিল করছে। কি বলবে ভাবতে ভাবতে জিনিয়া বলে..

– আপনি কি আনইজি ফিল করছেন?
– না-আ- মানে…(আবির)
– দেখুন আমি বুঝতে পারছি আপনি আন-ইজি ফিল করছেন। আমার হাত ধরে কথা বলুন।
– হুমম (হাতটা ধরতে আবিরের কেমন যেন লাগছে তবুও ঝটপট বলে দেয়)
চলুন না এই শীতের রাতে কফি খেয়ে একটু চাঙ্গা হয়ে নিই। আইডিয়াটা কি বেশ খারাপ?
– না না একদমই না। চলুন কফি খায়। তবে আপনি আমাকে তুমি করে বলুন প্লীজ তাহলে হয়ত পরিবেশটা তাড়াতাড়ি সহজ হয়ে আসবে।
– হুমম সেইই..

আবির কফির অর্ডার দিয়ে জিনিয়াকে নিয়ে বারান্দায় যায়। আবির স্যুট পরে আছে আর জিনিয়া শাড়ী। ঠান্ডার রাতে বারান্দায় দাঁড়িয়ে হালকা কাঁপতে থাকে জিনিয়া। আবির বুঝতে পেরে নিজের গায়ের স্যুট টা খুলে জিনিয়ার গায়ের উপর দিয়ে দেয়। জিনিয়া প্রথমে না করলেও পরে একটি মিষ্টি হাসি দিয়ে “থ্যাংক ইউ” বলে নিয়ে নেয়।

আবির জিনিয়ার ঠোঁটের দিকে তাকিয়ে মুগ্ধ হয়ে যায়। এত সুন্দর হয় মেয়েদের ঠোঁট? বয় কফি নিয়ে এসে দরজা নক করলে আবির যেয়ে খুলে দেয়। দু কাপ কফি নিয়ে একটা জিনিয়াকে দেয়। জিনিয়া আবারো মুচকি হাসিটা আবিরকে উপহার দেয়। আবির কফির কাপে মনোযোগ দেয়। আবির জিনিয়ার দিকে তাকায়। দেখে ওর ঠোঁট দুটি খুব সুন্দর করে,কোমল ভাবে চুমুক দিচ্ছে। যেন গরম কফির সবটুকু উষ্ণতা সে তার শরীরে ছড়িয়ে দিতে চায়।
আবির একটু এগিয়ে এসে ওর ডান পাশে দাঁড়ানো জিনিয়ার পেট টা ওর ডান হাত দিয়ে হালকা করে জড়িয়ে ধরে জিনিয়ার দিকে তাকায়। জিনিয়া যেন চমকে ওঠে। সে এইটুকু উষ্ণতারই খোজ করছিল সেই তখন থেকে।

আবিরকে প্রথম দেখেই তার ভালোলেগেছে। ও প্রস্টিটিউট হতে পারে,কিন্তু ওরও তো একটা ভালো লাগা আছে,ভালোবাসা আছে, সেও তো একজন মানুষ। আর যতই আবিরকে দেখছে সে ততই মুগ্ধ হচ্ছে। ও অন্য পুরুষগুলোর মত একদম নয়। না হলে জিনিয়াকে দেখে অনেক আগেই ক্ষুধার্ত হিংস্র কুকুরের মত ঝাপিয়ে পড়ত।
.
জিনিয়া আবিরের কাছে চলে আসে। দুজনে আস্তে ধীরে কফি শেষ করে। কফি শেষ হতেই আবির জিনিয়াকে কোলে তুলে নেয়। জিনিয়া অবাক হয়ে যায়। জিনিয়া কেনো লজ্জা পাচ্ছে। ও নিজেই ভেবে অবাক লাগছে “ও লজ্জা পাচ্ছে”। কত পুরুষই তো ওর শরীর কে কামড়েছে, শুষে নিয়েছে বহবার। কিন্তু কখনো তো এমন হয়নি। সব পুরুষের কাছে ঘৃনা লেগেছে, বিরক্ত লেগেছে,কিন্তু লজ্জা তো পায়নি। তবে আজ কেনো লজ্জা পাচ্ছে। আবিরের কন্ঠ শুনে ওর ভাবনার জগৎ থেকে বাস্তবে পাঠিয়ে দেয়। আবির বলে..

– আপনাকে কোলে তুলেছি আপনাকে না বলেই। এজন্য আমি দুঃখিত। এখন অনুমতি দিলে রুমে যেতে পারি।
– কখনো বিছানাতে যেতে এতটা ইচ্ছে করেনি যতটা না আজ করছে।

আবিরের মনে পড়ে গেল তার বউ এর কথা। বাসর ঘরে ব্যালকনিতে আবির তার বউকে কফি হাতে আসতে বলেছিল। কিন্তু যখন ওর বউ এলো তখন হাতে কফি ছিল না। ছিল “ওয়াইন”। এসে বলেছিল “বাসর রাত, একদিনই তো হয়। চলো না মাতাল হয়ে ইনজয় করি।” আবির বেশ অবাক হয় কথাটি শুনে। সে রাতে আবির পান না করলেও তার স্ত্রী পান করেছিল। মাতাল হয়ে ব্যালকনির বারান্দাতে বসে বলেছিল “আর কতক্ষন থাকবো এখানে, চলো বিছানায়।” কিন্তু আবির ভেবেছিল ওর বাসররাতটা হবে বেশ রোমান্টিক। শারিরীক খেলার থেকে রোমান্টিকতা থাকবে বেশি। কিন্তু সেদিন বউএর কারনে আদিম মানুষের মত দুজনের আলিঙ্গনে লিপ্ত হয়েছিল।
.
– কি ব্যাপার আবির সাহেব? আমি কি এতটাই কম ভারী যে আমাকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন? (জিনিয়া)
– না না.. খুব ভারী তুমি। যার শরীরে এত সুন্দর পারফিউম আর দামী অলংকার সে কি হালকা হতে পারে? আর “আপনি” কি? তুমি করে না বললে এখনি কোল থেকে ফেলে দিবো। (আবির)
– ঠিক আছে বাবা..রেখে দাও। এভাবে থাকতে বেশ লাগছে।

জিনিয়া কথাটি বলেই আবিরের গলা শক্ত করে জড়িয়ে ধরে কপালে একটি চুমো দেয়। আবির জিনিয়াকে নিয়ে বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে সুন্দর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে। মনে মনে ভাবে এত সুন্দর পরীকে দেখলে কে বলবে ওর পেশা কী? এত অবাঞ্চিত সৌন্দর্যময় মেয়েটির চেহারাতে কোনো পাপ লুকিয়ে থাকতে পারে?

জিনিয়ার চিকন অব্যক্ত শরিরটা অন্যদিনের থেকে বেশিই উত্তেজিত হতে থাকে। যা এর আগে কোনো পুরুষ স্পর্শ করাতে হয়নি। আবিরের প্রতিটা রিদনে উদজিবীত হয় আহ্বানময় প্রণমাতে। জিনিয়া বিদ্রোহীর মত মুখিয়ে আছে ধরে থাকা নিদোকীয় মানুষটাকে কাছে টানার। জিনিয়া ব্যহত হতে থাকে আর তার নিধিরিত মনে বলে “আবির আর দেরি নয়,মিশে যাও আমার হৃদমাজারে।”

আবির জিনিয়াকে কোল থেকে বিছানায় এমনভাবে নামালো যেন সদ্য জন্ম নেয়া কোনো বাবুকে আস্তে করে রাখছে। আবির তাকে বিছানায় রাখার পর জিনিয়া তার কাজল দেয়া অদ্ভুত সুন্দর আদিনাতে সরাসরি আবিরের দিকে তাকায়। আবিরকে যেন সম্মোহিত করতে চাই জিনিয়া। আবির বলে..

– আজ রাতে তুমি হলে আমার পরিমাপহীন বিশাল রাজ্যের বিস্তৃত নগরীর ঐশ্বারিক রানী বানালাম। তোমাকে আমি কেবল বিসানীয় ভালোবাসা দেবো।
– তবে তাহলে চলে এসো আমার হৃদয়ের অন্দরমোহলে। যেখানে আমি তোমার অপেক্ষাতে প্রেমাতাল সৌরজ রেখে বসে আছি।

আবির কিছু না বলে জিনিয়ার নধনে নিজেকে বিক্রিত করে। আবিরের ভর থাকে নিজের হাতের উপর। কিন্তু আবিরের সমস্ত দেহই জিনিয়াকে কভার করে ফেলেছে। খুব অল্প সময়ের জন্য দুজনের চোখাচোখি হয়। জিনিয়া তখনি তার মাথাটা উচিয়ে লাল ঠোঁটটি বাড়িয়ে দেয় আবিরের দিকে। এর আগে কখনই জিনিয়া এভাবে কোনো পুরুষের কাছে নিজেকে তুলে দেয়নি। কিন্তু আজ রাত যেন ব্যতিক্রাম। ব্যবনিক কল্পনার অস্বল্পনীয় রুক্ষতার মাঝে বৃষ্টির আলাপন যেন।

জিনিয়া যেন কোনো এক বিনিপনাময় উন্মাদোনময়ী আকাংখার মাঝে আটকে যায়। সে ভাবে যে পুরুষ নারীদের সম্মান দেয়, না জানী সে পুরুষের গভীর স্পর্শ কতটা আবেদনময়ী। আবির হালকা আখি বন্ধ করে জিনিয়ার নির্লিপ্ত আহ্বানী নরম ঠোঁটে তার শুষ্ক ঠোঁট ছোয়ায়। তখনি তার বাসর ঘরের কথা মনে পড়ে যায়।

সেদিন তার স্ত্রী আবিরের ঠোঁট দুটিকে বেধড়ক ভাবে কিস করতে থাকে। বারবার কামড় দিতে থাকে সে। আবির ব্যাথা পেয়ে কামড় দিতে মানা করাতে তার স্ত্রী বলে “কেমন পুরুষ তুমি? ওয়াইন্ড বোঝো না?” “থামলে কেনো আবির?” জিনিয়ার কথা শুনে আবির আবার বাস্তবে চলে আসে। কিছু না বলে আবার শুরু করে আদিম নগরীর সেই আদেনময়ী শারিরীক আলোভন। দুজনের শরীর কাপড়হীন হয়ে মিশে যেতে থাকে একে অন্যের মনের শহরে কিংবা কামনার বেদনাহীন চুম্বকীয় পাড়াতে। চলতে থাকে কিছুক্ষন অপাশ্বিক শোচনাহীন ভালোবাসা বিস্মিত চমকতন্দ্র স্বাভাবিক আর অস্বাভাবিক দিশেহারাময় খেলা।

একসময় নিস্তেজ হয় টেবিল ল্যামের সাদা হলুদ আলোক মিস্রিত পর্দা টানা ঘরের মধ্যে বাধাহীন দুজন মানবীর পাগল পাগল খেলা। বিদ্বেষী খেলার পরিসমাপ্তি শেষে দুজনেই শুয়ে থাকে তাদের ক্লান্ত শিথিল নিয়ে।
জিনিয়া আবিরের বুকে মাথা রেখে শুয়ে থাকে। আবির বিষাদের এক কঠিনতর দীর্ঘশ্বাসের বিশাল পাহাড় ন্যায় শ্বাস ছেড়ে বললো..

– জানো আমার বউটা না বিয়ের রাতে ভার্জিন ছিল না।
– মানে?
– মানে সে বিয়ের আগেও আর পরেও অন্য ছেলেদের সাথে মেশে।

জিনিয়া নির্বাক থাকে। আবিরের বুক চিরে আসা দীর্ঘশ্বাস বুঝতে পেরে আবিরকে জড়িয়ে নেয়। নিষিদ্ধ কপোতকপতী যেন পরমাক্ত বন্ধনে আবদ্ধ হয়। রাত ১ টা ৩০। জিনিয়াকে জিনিয়ার বাড়িতে ড্রপ করে জিনিয়ার ফোন নাম্বার নিয়ে আবির বাড়িতে চলে আসে। জিনিয়ার চোখে জল। সে পতিতা,অন্য পুরুষরা তার মত সৌন্দর্যের অধিকারী বেসম্ভব চোখ ধাধানো রমনীকে প্রথম আকর্ষনে খুবলে খেয়েছে। কিন্তু আজ রাতে সে পেয়েজে গভীরতম এক নিস্ক্রিয়া সত্যিকারের ভালোবাসার প্রতিটান।

ওদিকে আবির ভাবতে থাকে জিনিয়া নামের নিষিদ্ধ মেয়েটির কথা। ‘আবির অনুধাবন করে মেয়েটিকে সে নির্বিকায় উলট পালট হয়ে ভালোবেসে ফেলেছে। ভাবে নিশ্চয় মেয়েটি কোনো এক অসমীকরণের বড় এক গর্তে পড়ে এ পথে এসেছে। শুনতে হবে একদিন মেয়েটির ঘটমান অব্যক্ত কথার ফুলঝুড়িগুলো। বাড়িতে ঢুকে আবির প্রথমে দারোয়ানকে জিজ্ঞাসা করে..”ম্যাডাম এখনো বাড়িতে ফিরেছে কিনা?”দারোয়ান জানায়, “ম্যাডাম এখনো ফিরে নি?” আবির আবারো গম্ভীরতায় আটকা পড়ে খুজতে থাকা তীরের ন্যায় অসমহীন এক না পাওয়ার করুনতায় দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়ে।

দুজন হাজবেন্ড ওয়াইফ। বউ বিয়ের আগে নষ্টামিতে লিপ্ত ছিল। বড়লোক ঘরের উচ্ছে যাওয়া মেয়েটি প্রতিরাতে এক পেগ,দু পেগ করে বাধাবনা নেশাতে পড়ে ইচ্ছে কিংবা অনিচ্ছাতে ধর্ষন বলি বা শরীরের ক্ষুধা বলি তা মিটিয়ে আসতো। আর তা বিয়ের পরও চলতে থাকে। মানুষ মাত্রই পার্থক্যমন্ডিত। সবাই কাছের মানুষকে নিজের মত করে চাই। আবির চাই তার বউ রোজ সকালে ঘুম ভাঙিয়ে বলবে তোমার চা। রোজ বিকেলে ঘুরবে দুজন পায়ে হেটে। রোমান্টিকতায় পরিপূর্ণ থাকবে সব কিছু।

আর এ দিকে তার স্ত্রী চাই রোজ রাতে মদ খেয়ে পার্টি করে সব ছেলেদের সাথে ধলাধলির পর বাড়িতে আসতে। তাই আবির বেঁচে নিয়েছে তার সঙ্গি জিনিয়া নামের প্রস্টিটিউট কে। আর তার স্ত্রী বেঁচে নিয়েছে ওয়াইন জনিত তরলাক্ত বিষাক্ত কিছু। বেচে নিয়েছে অধিকতর ছেলের আলোভন। এখানে দোষটা কার বা কাঁদের?? হয়ত কেও জানে না উত্তরটি। আবির ধপ করে বিছানে শুয়ে পড়ে বলে ওঠে.. “শালি মা*** ওয়াইল্ড বিষ্ট একটা” ও দিকে তার স্ত্রী অন্যের বিছানাতে আটকা পড়ে বলে.. “ব্লাডি মাই হাজবেন্ড, ব্যাকডেটেড বয়”

(সমাপ্ত)

গল্পের বিষয়:
রোমান্টিক

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত