ভালোবাসি

ভালোবাসি

নূহাঃআমি তোমাকে ভালোবাসি তুমি কি সেটা কখনো বুঝবেনা?

আমিঃ আচ্ছা ভালোবাসা মানি কি বলতে পারো?

নূহাঃ আমার কাছে ভালোবাসা মানি তোমাকে আপন করে পাওয়া।

আমিঃ কিন্তু আমার কাছে ভালোবাসা মানিই সর্ব প্রথম বাবা-মা কে হাসিখুশি, সুখে রাখা।

নূহাঃ আমাকে ভালোবাসলে কি তোমার বাবা-মা অসুখী হবে?

আমিঃ হ্যা অবশ্যই কারণ আমার বাবা-মা রিলেশন পছন্দ করেনা। তাই আমি রিলেশন করতে পারব না।

নূহাঃ তোমার বাবা-মা যদি আমাকে পছন্দ করেন তখন?

আমিঃ আমার বাবা-মা তো আর বলবেনা যে বাবা,নূহাকে আমাদের পছন্দ হয়েছে তুই প্রেম কর!

নূহাঃ যদি বিয়ে করতে বলে?

আমিঃ হ্যা,আমি আমার বাবা-মা র পছন্দ করা মেয়েকেই বিয়ে করব তবে সেটা এখন নয়। যখন সময় হবে তখন।

নূহাঃআচ্ছা ধন্যবাদ। বাই

আমিঃ খোদা হাফেজ

আগের মতই চলছে দিনকাল, পরিবর্তন হয়েছে সুধু নূহা। কারন নূহা আর আগের মত ভালোবাসি ভালোবাসি করে পাগলামি করেনা। আমিও আগের মত চলতে থাকি। তবে এখন আমি সত্তিই নূহার দুষ্টমি খুব মিস করি।

নূহার টুকটাক দুষ্টমি আমার কাছে খুব ভালোলাগত কিন্তু কিছু করার ছিলনা কারণ মেয়েটা দিনদিন আমার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে যাচ্ছিল।আর আমার কাছেও মেয়েটাকে ভালোলাগে কিন্তু আমার সেই ভালোলাগা অপ্রকাশিত থাকুক ।
সবসময় সকল অনুভূতি প্রকাশ করতে নেই। কারণ আমি চাইনা আমার প্রতি আমার বাবা-মা অসন্তুষ্ট হোক। আমার বাবা-মা কখনো প্রেম ভালোবাসা সাপোর্ট করেনা। আমার বড় ভাইয়া একটা মেয়ের সাথে সম্পর্ক করেছিল। জানিনা তাদের কতদিনের সম্পর্ক ছিল কিন্তু বাবা-মা যখন তাদের সম্পর্ক মানতে রাজি ছিলনা, তখন ভাইয়া সেই মেয়েটির হাত ছেরে দিতে বাধ্য হয়েছিল কারন আমার ভাইয়া কখনো বাবা-মার কথার বিরুদ্ধে যাননি। তিনি চাইলে অবশ্য পরিবারের বাইরে গিয়ে মেয়েকে বিয়ে করতে পারতেন। তখন তার রোজগার ছিল পরিবারের একমাত্র উপার্জন। কিন্তু তারপরেও যেহেতু তিনি সেরকম কিছু করেন নাই তাহলে আমি কিভাবে পারি সে বাবা-মার অপছন্দিয় কাজ করতে। পরে অবশ্য বাবার পছন্দের মেয়েকে ভাইয়া বিয়ে করেছেন।তার ছেলের বয়স এখন ৬ বছর।

অফিস থেকে ফিরেই দেখি নূহা আর আমার ভাবি রান্না করতেছে।আর আমার ছোট বাবা (ভাইয়ের ছেলে) টিভিতে কার্টুন দেখতেছিল, আমাকে দেখেই আমার কাছে এসে জড়িয়ে ধরল। আমিও কোলে করে নিয়ে আমার রুমে চলে আসলাম। আবির আমার বিছানায় বসে আমার ফোনে গেমস খেলতে শুরু করে দিয়েছে(ভাইয়ের ছেলে আবির)। ফ্রেস হয়ে এসে দেখি নূহা নেই আমাদের বাসায়। হয়ত ওদের বাসায় চলে গেছে।আসলে নূহাদের বাসা আর আমাদের বাসা পাশাপাশি মানি আমাদের বিল্ডিং টি ৫ তলা তার মধ্যে ৩তলার দুইটা ফ্লাট নিয়ে আমাদের ফ্যামিলি থাকে। আর নূহারা ৪ তলার একটা ফ্লাটে থাকে। নূহার বাবার কিসের যেন ব্যবসা আছে শুনছিলাম। ডাইনিং এ খেতে এসে দেখি সব খাবার সুন্দর করে গুছিয়ে রেখে দিছে।একা একাই প্লেটে ভাত নিয়ে খেয়ে এসে রুমে বসে ল্যাপটপ নিয়ে কিছু কাজ করতেছিলাম এমন সময় আবির আমার রুমে এসে বলতেছে চাচ্চু চাচ্চু তোমার বিয়ে।

আমিঃকি বলো বাবা? কার বিয়ে বাবা?

আবিরঃতোমার বিয়ে দাদু বলেছে

আমি চুপ করে ভাবতেছি কি হলো আবার,বাবা-মা হঠাৎ আমার বিয়ে নিয়ে পরল কেন। কিছুক্ষণ পরেই ভাবি এসে বলতেছে আব্বা ডাকে,বলেই ভাবি হাসতে লাগলো আর ফাজলামি শুরু করলো। বাবার কাছে গেলাম।

আমিঃআব্বা আপনি ডাকছিলেন আমাকে?

আব্বাঃ হ্যা ডাকছিলাম,তোমার বিয়ে করাবো ভাবছিলাম তোমার কি কোনো পছন্দ আছে? থাকলে বলতে পারো।

আমিঃ নাহ আব্বা আমার পছন্দের কেউ নেই,কিন্তু আব্বা বিয়েটা কিছুদিন পরে করলে হতোনা,ব্যবসা টা যদি আরেকটু বাড়াতে পারতাম।

আব্বাঃ এখন যা আছে তা কি যথেষ্ট নয়?

আমিঃ না মানি হ্যা আছে ভালোই

আব্বাঃ আচ্ছা আগামি মাসের ৯ তারিখে তোমার বিয়ে। সব কিছু ঠিক করে রাখবা।বিয়ের সব কিছু তোমার বড় ভাইয়া দেখবে তোমার যাদের দাওয়াত দিতে হবে দিয়ে রেখ।

আমিঃআচ্ছা আব্বা,তাহলে এখন আমি আসি

আব্বাঃ তা মেয়েটা কে? কাকে বিয়ে করবা তার কিছু জানবা না?

আমিঃ নাহ আব্বা আপনি যেটা ভালো মনে করবেন তাই করুন। আমার কোনো বিষয়ে আপত্তি নেই আব্বা আপনার যা ভালো মনে হবে তাই করুন।আমি আসি এই বলে চলে আসলাম।

হঠাৎ আব্বা কেন আবার আমার বিয়ে নিয়ে পড়লেন, আগে কিছু বল্লেন না। অফিসে চলে আসলাম। নতুন কিছু প্রজেক্ট হাতে নিতে চাচ্ছিলাম যেটা ভাবছি আপাতত বন্ধ রাখব কারণ আমি জানি আব্বা যেহেতু বলেছে ৯ তারিখ বিয়ে সেহেতু বিয়ে ঠিক হবেই। কিছু বন্ধুকে ফোন দিয়ে দাওয়াত দিলাম। সবাই কিছুটা অভিমান ও করেছে কারন আগে কিছু বলিনি সরাসরি বিয়ের দাওয়াত।কিন্তু ওদের কিভাবে যে বুঝাই যে আমার বিয়ে আর আমিই জানতে পারছি আজকে।তো ওদেরকে কোনোভাবে ম্যানেজ করলাম। বাসায় আসার পরে ভাবি আমার সাথে ফাজলামি করা শুরু করলেন। আসলে এতদিন ভাবির সাথে আমি ভাইকে নিয়ে মজা করছি সেটাই এখন ভাবি করছেন। সন্ধ্যায় ভাবি আমার রুমে এসে বলতেছে তা দেওরা তোমার ভাইয়া তো এক মেয়েকে ছেরে আমাকে বিয়ে করছে আব্বার কারনে। তা তুমি কোন মেয়েকে ছেরে আসছো বলোতো,বলেই হাসতে লাগলেন। যাওয়ার সময় মোবাইলে একটা নাম্বার ডায়াল করে দিয়ে বল্লেন এটাই তোমার মিসেস এর নাম্বার। রাতে খাওয়া শেষ করে রুমে এসে অনেক সময় ভাবলাম যে কল দিব কিনা,শেষে কল দিলাম। অনেকক্ষণ রিং হওয়ার পরে কল রিসিভ করলেন কেউ

আমিঃ আসসালামু আলাইকুম

অপরিচিতাঃ ওয়ালাইকুম আসসালাম,কে বলছেন?

আমিঃ আমি, আমি মাহমুদ বলছি

অপরিচিতাঃ কোন মাহমুদ? এ নামের তো কাউকে চিনি না।

আমিঃ ভাবি বল্লেন যে আপনার সাথে নাকি আমার বিয়ে ঠিক হয়েছে

অপরিচিতাঃতো আমি এখন আপনার জন্য কি করতে পারি?(রাগি সূরে)

আমিঃআপনার নাম কি? কি করেন? এসব কিছু জানতে হবেনা!

অপরিচিতাঃ আপনার বাবার থেকে জেনে নিবেন। বলেই কল কেটে দিল।

মনে মনে ভাবছি যে রাগি মেয়ে প্রথমদিন কথা বলার সময় যে এত রাগ দেখায় না জানি বাকি জীবনে কি করে।
নূহা মেয়েটা অনেক নম্র,ভদ্র ছিল, যে মেয়েটার সাথে বিয়ে ঠিক হয়েছে সে তো খিটখিটে মেজাজের মনে হচ্ছে।
ধূর এসব কি ভাবছি, বিয়ের পরে যদি আমার উপর অকারনে রাগ দেখায় তাহলে তার ওষুধ ও আমি জানি। স্যারেরা বলেছিল মাইরের উপর কোনো ওষুধ নাই, নাহয় সেটাই প্রয়োগ করব। আমার ছোট থেকেই ইচ্ছা বউ যদি আউটঅফ কন্ট্রোলে চলে যায় মাইরে হবে সুধু মাইর।কিন্তু এখন তো মনে ভয় হচ্ছে না জানি বউ উল্টা প্রয়োগ করে। আজকে গায়ে হলুদ আর আজকে যেন আমার কাজের কোনো শেষ নেই। প্রত্যাশা কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ে হবে, আবার সেই প্রত্যাশা কমিউনিটি সেন্টারেই বউ-ভাত হবে। ছোট ছেলের বিয়ে তাই হয়ত অনেক বড় করে অনুষ্ঠান করতেছে।

আজকে যে আমার গায়ে হলুদ সেই দিকে কারো খেয়ালই নেই সবার মাথায় একটাই চিন্তা যে কালকে বিয়ে।আমাকে আব্বায় কমিউনিটি সেন্টারে পাঠিয়ে দিলেন দেখার জন্য যে সব কাজ ঠিক ঠাক মত হচ্ছে কিনা।আমি যখন বল্লাম যে বিয়ের সব কিছু তো মেয়ে পক্ষের মানুষ দেখবে, আমরা বউ ভাতের টা দেখব। কথাটা সত্তি হলেও মনে হচ্ছে আব্বার সামনে কথাটা বলা ঠিক হয়নি।রাগি একটা লুক দিয়ে আমার দিকে তাকালেন। আমি কোনো রকমে আব্বার সামনে থেকে পালিয়ে বাইক নিয়ে কমিউনিটি সেন্টারে আসলাম। এখানে এসে যেন রাগটা আরো বেড়ে গেল কারন মেয়ে পক্ষের কোনো মানুষই দেখছি না।সবাই আমাদেরই আত্মীয়স্বজন। দুই চার জন মানুষ দেখছি অপরিচিত। কমিউনিটি সেন্টারের দুইটা রুম আছে যেটা বর এবং কণের জন্য। আমি বরের রুমের বেলকনিতে দাড়িয়ে মোবাইলে ফেসবুকিং করছি। একটু পরেই অপরিচিতার নাম্বার থেকে কল আসছে,

আমিঃ হ্যালো

অপরিচিতাঃ আপনার কাল বিয়ে আর এখন ফেসবুকে কি করতেছেন?

আমিঃ আসলে ফেবুতে আমার অনেক গুলা গফ আছে তাদের কে সান্তনা দিচ্ছি(সে নাহয় রাগ দেখাবে আর আমি মজা করব না, তা হয়)

অপরিচিতাঃ তা তাদেরকে কিভাবে সান্তনা দিচ্ছেন?

আমিঃ এই মনে করেন তাদের কে বলতেছি যে আমি বিয়ের আগেও যেমন তাদের ছিলাম বিয়ের পরেও তাদেরই থাকব।

অপরিচিতাঃ কিহ? কি বল্লেন? বেশি ফালাফালি করবেন না বুঝছেন! নাহলে ঠ্যাং ভেঙ্গে হাতে ধরিয়ে দিব।

আমিঃ কি বলছেন এসব (কিছুটা ভয়ই পেলাম বিয়ের আগেই থ্রেট)

অপরিচিতাঃ আর বাসা থেকে বাইক নিয়ে এত স্প্রিডে গেলেন কেন?

আমিঃ আমার বাইক আমি যেভাবে খুশি সেভাবে চালাব

অপরিচিতাঃআমি দেখব কিভাবে ওই বাইক চালান।

আমিঃ ওহ তার মানে আমার শ্বশুর বুঝি নতুন বাইক গিফট করবে তার জামাইকে। কল কেটে দিছে।

১০টার দিকে বাসায় আসলাম ফ্রেশ হয়ে সব বন্ধুদের ফোন দিলাম আসার জন্য।  (আসলে গায়ে হলুদের কোনো প্রগ্রাম হবেনা তাই সবাই বিয়ের দিনেই আসবে বলে বলেছে) আব্বায় যে মেয়েকে আমার বউ করে আনছে মনে হচ্ছে সে আমার জীবন কাবাব বানাইয়া খাবে। তাই সেই শোকে বন্ধুদের আসতে বল্লাম যাতে একটা রাত একটু মজা মাস্তির মাধ্যমে শেষ হয়। বন্ধুরা সবাই মিলে পার্টি করতেছে আমার রুমে আর আমি বসে বসে ভবিসৎ এর কথা ভাবছি। অনেক মেহমান আসতেছে। সব আত্মীস্বজনরা যখন এসে পরেছে তারপরেই বরযাত্রী রওনা হল সন্ধ্যার পরে। বিয়ের সকল কার্যক্রম শেষ হল।আমার বউ আমার পাশে অনেক সময় বসেছিল কাবিনের সময় কিন্তু শাড়ির আচল দিয়ে মুখ ঢাকা ছিল যার কারনে আড়ি চোখে অনেকবার তাকালেও মূখের লিপস্টিক ছাড়া আর কিছু দেখতে পাইনি।
গাড়িতে বসেও অপরিচিতার মুখটা দেখতে পাচ্ছিনা।

আমি যে শাড়ির আচলটা সরাবো তাও পারছি না কারন গাড়িতে ছোট ছোট ভাগিনা ভাগনি ভাইয়ের ছেলে সহ আরো অনেকে আছে।ওদের সামনে কিভাবে বউয়ের শাড়ির আচল সরাই। বাড়িতে আসার পরে মনে হচ্ছে নতুন বউ ই সব। সবাই তাকে নিয়েই ব্যাস্ত। আমি ছাদে চলে আসলাম কয়েকটা বন্ধুও আসলো সবাই মজা করতেছে যার কেন্দ্রবিন্দু আমাকে নিয়ে। বাসার সব দিক থেকে বিভিন্নি লাইটিং জ্বলতেছে। নূহাকে বড্ড মনে পরতেছে।বার বার মাথা থেকে নূহাকে ঝেড়ে ফেলতে চাইলেও মনের অজান্তেই চলে আসছে। কিছুক্ষণ পরে আবির এসে বলতেছে আম্মু তোমাকে ডাকতেছে। আমি নিচে গিয়ে ভাবিকে খুজে জিগ্গেস করলাম ভাবি ডাকছিলেন কেন।

ভাবিঃ কই আমিতো ডাকিনি।

আমিঃতাহলে আবির যে বল্লো আম্মু ডাকছে

ভাবিঃ ওহ মনে হচ্ছে তার আর সইছে না

আমিঃকার আবার কি সইছে না?

ভাবিঃ আবিরের নতুন আম্মুর আর দেড়ি সহ্য হচ্ছেনা তাই নিজেই ডেকে পাঠিয়েছ যাও যাও তাড়াতাড়ি রুমে যাও,
ওহ তারমানে অপরিচিতা। আমি রুমে যেতেই বাকি সবাই চলে গেল। আমি দরজা আটকিয়ে খাটে গিয়ে বসলাম মেয়েটা এখনো ঘুমটা দিয়ে বসে আছে। বুকে অনেক সাহস নিয়ে ঘুমটা সরিয়ে দেখি নূহা!!!

আমিঃনূহা তুমি! কিন্তু তুমি এখানে কিভাবে সম্ভব

নূহাঃ অন্য কাউকে চাইছিলেন বুঝি।

আমিঃকিন্তু বিয়ের কার্ডে যে দেখেছি মাহাবুবা জান্নাত

নূহাঃ ওটা আমার সার্টিফিকেটের নাম যেটা সবাই জানেনা

আমিঃ আমি সত্তি বিশ্বাস করতে পারতেছি না এতকিছু কিভাবে হল? আর তোমার আম্মু তো আমাকে খারাপ জানতেন (একদিন ছাদে বসে এক বন্ধুর সাথে কথা বলছিলাম যার মধ্যে অনেকটা কথা ছিল ওর বউকে নিয়ে যা নূহার আম্মু শুনে ফেলছিল)

নুহাঃ আম্মু খারাপ জানলেও আব্বু ভালো জানতেন, একদিন নাকি তোমার বন্ধুরা সিগারেট খাচ্ছিল আর তোমাকে যখন দিচ্ছিল তুমি নাওনি সেটা দেখেছে আব্বু।আর তুমি ভালো ব্যবসা করো তাই আব্বু আম্মু রাজি হয়েছে।

আমিঃ আর আমার আব্বু আম্মু?

নূহাঃএকদিন এক পাত্রপক্ষ দেখে যাওয়ার পরে যখন তোমাদের বাসায় এসে ভাবিকে বলতেছিলাম তখন তোমার আম্মু শুনেছিল।আর আমিও আসলে তোমার আম্মুকে শুনিয়েই বলেছিলাম। তারপরে তোমার আম্মু তোমার আব্বুকে গিয়ে বলে মেয়েটা কত লক্ষি যদি আমাদের ঘরের বউ করে আনি তাহলে কিন্তু ভালোই হবে।তারপরে বাকি সব ব্যবস্থা তোমার আব্বুই করছে।

আমিঃ কিন্তু তোমার নাম্বার তো আমার কাছে ছিল কিন্তু ভাবি যে নাম্বার দিয়েছিল সেটা তো অন্যকেউ ছিল।

নূহাঃ আরে তুমি এত বোকা জানতাম না।আমি যদি তোমার সাথে আসল নাম্বার দিয়ে কথা বলতাম তাহলে তো তুমি সব কিছু বুঝেই যেতে তাই নতুন নাম্বার দিয়ে আমার একটা কাজিন তোমার সাথে কথা বলেছে।

আমিঃআর তুমি তোমার আব্বু আম্মুর একমাত্র মেয়ে আর তোমার বিয়েতে তারা এত কিপটামি কেন করলো

নূহাঃ কি কিপটামি করছে?

আমিঃ এই যে সব কিছু আমার আব্বু করেছে,এমনকি বাসা টাও তো আমার আব্বুই সাজাইছে।

নূহাঃ সব কিছুর দেখাশোনা করছে তোমার আব্বু আর আমার আব্বু টাকা দিছে,আর এই বাসা সাজানোর সব খরচ ও আব্বুই দিছে। সম্ভবত নতুন বাইক ও দিতে পারে।

আমিঃ থাক তোমার আব্বুকে বইলো আমার আর কিছু লাগবেনা। এখন অনেক রাত হয়েছে ঘুমিয়ে পর।

গল্পের বিষয়:
রোমান্টিক

Share This Post

সর্বাধিক পঠিত