পরিবেশ

পরিবেশ

আপনি হেটে যাচ্ছেন বোনের হাত ধরে অথবা ভাইয়ের হাত ধরে, বাঁ আমি হেটে যাচ্ছি বোনের হাত ধরে, কেউ কেউ ভাবতে পারে অন্য কিছু,ভেবেই বসবে।
আজকের এই সময় পর্যন্ত আমাদের সমাজের পরিস্থিতি এমন অবস্থানে এসে দাঁড়িয়েছে যে, ভালো মানুষকেও ভালো থাকতে দেয়না।
পরিবেশ, পারি পার্শ্বিক অবস্থা এতটাই জঘন্য পর্যায়ে চলে গেছে।
,
যেখানে অহরহ ঘটে চলেছে এই ধরণের ঘটনা, সেখানে এরকম ভাবনা অস্বাভাবিক কিছু নয়।
তবে খুব আপসোস লাগে , আগামী প্রজন্মের জন্য।
তারা এসে কি পাবে ? আমরা তাদেরকে কি দিতে পারবো?
,
প্রশ্ন জাগে ?? পারবো কি দিতে একটা সতেজ সংস্কৃতি?
একটা সুন্দর জীবন্ত সভ্যতা? নাকি আবারো সেই অন্ধকার যুগে চলে যাচ্ছি ধীরে ধীরে?
,
একজন মানুষের প্রথম এবং প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো তার “পরিবার”
যে তার পরিবার থেকে যাহা শিখবে, তাহাই এপ্লাই করবে তার ব্যক্তি জীবনে, সমাজে চলার পথে।
তবে এক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্নতা থাকলেও তার পরিমান খুবই নগন্য।
,
আমি সবসময় আমার চিন্তা ভাবনাকেই অন্যের মাঝে বিস্তার করার চেষ্টা করবো, এটাই মানুষের সহজাত প্রবণতা। যে যেই ধরণের চিন্তা করতে ভালোবাসে , সে চাইবে আরেকজন তার মতো করেই ভাবুক,
হোক সেটা খারাপ , কিংবা ভালো।
,
কেউ অন্ধকার ভালোবাসে, সে আরেকজন অন্ধকারের সঙ্গী খুজার চেষ্টা করবে, আলোর মাঝে খুঁজে নিবে নিজের বন্ধু, কিংবা অন্ধকারেই খুঁজে নিয়ে গল্প জুড়ে দিবে।
,
একটা মেয়ে রান্না করতে ভালোবাসে, এটাই তার একটা আর্ট, একটা ছেলে অক্লান্ত পরিশ্রম করতে ভালোবাসে, এটাও তার একটা আর্ট।
প্রত্যেকটা মানুষের মাঝে লুকিয়ে আছে তার নিজস্ব আর্ট।
খুঁজে বের করতে হবে,আমার কি ভালো লাগে?
আমি কি চাই?
আমার দ্বারা কি কি করা সম্ভব।
সবাই সব কিছু প্রোপারলি করতে পারেনা, তবে চেষ্টা আর ধৈর্য থাকলে অসম্ভব অনেক কিছুই অনুকূলে চলে আসে।
,
অন্যের উপকার করাও একটা আর্ট , যা সবাই পারেনা,
সবার দ্বারা এই মহান কাজ হয়না।
এই মহান কাজের জন্য একটা বিশাল মন থাকা জরুরী, একান্তই জরুরী।
,
Shakil Ahmed (অপ্রকাশিত শি্রোনাম)

গল্পের বিষয়:
অন্যান্য

Share This Post

সর্বাধিক পঠিত