এরেন্জ ম্যারেজ

এরেন্জ ম্যারেজ

— আমার খুব ভয় করছে, কাজ টা করা কি ঠিক হবে?
— কেন হবে না? আমরা কি খারাপ কিছু করছি?
— তবুও, এমন কাজ আমি করতে পারবো না। মা-বাবা জানলে খুব কষ্ট পাবে। তারা সমাজে মুখ দেখাতে পারবে না৷
— এতকিছু ভাবলে চলে? তুমি রাজি হবে কি না তাই বলো।
–কিন্তু!
— কোন কিন্তু টিন্তু না। হ্যাঁ অথবা না বলো।
— কোন সমস্যা হবে না তো?
— সেসব তুমি আমার উপর ছেড়ে দাও।
— ছেড়ে দিলাম৷ যদি উল্টাপাল্টা কিছু হয় না তখন আমি তোমাকে ছাড়বো না বলে দিলাম।
–আচ্ছা ঠিক আছে ছাড়িও না। রাখি তাহলে কেমন? টেক কেয়ার।
— টেক কেয়ার।

উহ, কি মেয়েরে বাবা৷ এত করে বুঝাই তাও ন্যাকামো করে। যেন আমি তাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করবো। ধ্যাত। আরে বাবা জীবনে বিয়েই করবো একটা তবে সেই বিয়েটা যদি ইতিহাসে স্বরণীয় হতেই না পারে তাহলে বিয়ে করে আমি তো স্বার্থক হলাম না৷ সবাই তো মানুষ। তবে মানুষ হলেও সবাই কি এক? ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর আর আমি কি এক? কখনোই না৷ মহা মানব হতে হলে এমন কিছু করতে হয় যা আগে কেউ কোনদিন করে নি। কিন্তু দুঃখের কথা হলো সব ক্যাটাগরীতেই আজকাল মহামানব আছে। তাই আমি ছোটবেলা থেকেই ভাবতাম আমি একটা স্বরণীয় বিয়ে করে নিজেকে মহামানবের তালিকায় স্থান দেবো। ছোটবেলা থেকেই এই শখটা আমার এতটাই বেশি ছিল যে আমি প্রেমও করি নি। কেন করবো? প্রেম করলে তো আর আমি মহামানব হতে পারবো না। আমার শয়নে স্বপনে সব সময় এই একটা বিষয়ই আসতো আর তা হলো আমার স্বরণীয় বিয়ে।

পড়ালেখা শেষ করে চাকরিতে ঢুকলাম। অথচ আব্বাজান আমার বিয়ের কথা মুখেও আনতো না৷ অথচ আমি সেই ছোটবেলা থেকে বিয়ের জন্য একদম মুখিয়ে ছিলাম৷ লজ্জার ঠেলায় মুখ ফুটে কখনও বলতেও পারি নি যে, আব্বা, আমি বিবাহ করিতে চাই, স্বরণীয় বিবাহ। তবে আমার কষ্ট হয়তো উপরওয়ালা বুঝতে পেরেছিলেন। তাইতো ঘটা করেই আব্বাজান আমার সুদর্শনা এক হরিনী চোখওয়ালার সাথে আমার বিবাহ ঠিক করাইলেন। ওহ, বলতেই ভুলে গেছি। আমার হবু বউয়ের নাম সোহানা। এইতো একটু আগে তার সাথেই কথা বললাম। কথা বলার কারণ ও হলো আমার সেই স্বরণীয় বিয়ে। কিন্তু সে কিছুতেই আমার সেই স্বপ্ন পূরণ করতে দিতে রাজি নয়৷ আমিও কম যাই না৷ ঘ্যানঘ্যান করে হলেও অবশেষে সবকিছু ঠিকঠাক করলাম৷ ভাবতেই খুশি খুশি লাগছে, যে কাল আমার বিয়ে, স্বরণীয় বিয়ে। সকাল দশটা বাজে। দুলাভাই আমার খুব সুন্দর করে মাথায় টোপরটা পড়িয়ে দিয়ে বললেন,

–শালাবাবু রে, তোমাকে দেখেই মনে হচ্ছে যে তুমি বিয়ে করতে যাচ্ছো!
— কেন! আনাকে দেখে কি মুসলমানি নিতে যাবো এমন দেখানোর কথা ছিল?
— এমা! তা কেন হবে?
–তাই তো মনে হয় হওয়ার কথা ছিল।

দুলাভাইয়ের সাথে বসে ছিলাম তখনই বাড়ির সবাই আমার ঘরে ঢুকলো। সব নিয়ম কানুন মেনে আব্বাজানের সাথে গাড়িতে উঠে রওনা হলাম বিয়ে করার জন্য। প্রায় তিন ঘন্টার লম্বা পথ। আগে থেকেই সব প্ল্যান করে রেখেছিলাম। যতই হোক, আমার ইতিহাস গড়ার বিয়ে বলে কথা৷ একটুও ভুলত্রুটি হওয়া চলবে না৷ আমি রুমাল মুখে নিয়ে মুখ টিপে টিপে হাসছি আর মোক্ষম সুযোগের অপেক্ষা করছি। দুই ঘন্টার অপেক্ষার পর অবশেষে আমার সেই সুযোগটা চলে এলো। আব্বাজানকে কানের কাছে মুখ নিয়ে বললাম,

–আব্বাজান? ও আব্বাজান?
— কি কইবা?
–আব্বাজান, আমার প্রকৃতির ডাক এসেছে!
–প্রকৃতির ডাক এসেছে মানে? এখন কি তোমার মনে বসন্ত এসেছে?
— না আব্বাজান, এই ডাক সেই ডাক না। এইডাক এমন একটা ডাক, যে ডাকে কেউ সাড়া না দিয়ে পারে না। সাড়া না দিলে তার ইজ্জতের ফুচকা হইয়া যায় আব্বাজান।
— না পেঁচাইয়া খুইলা ক তো কি হইছে।
— আব্বাজান, আমার খুব জোরে হাগু পাইছে আব্বাজান।
–হারামজাদা! এমন শুভ কাজে অশুভ কথা! বাসা থেকে কাজকাম সেরে আসতে পারিস নি?
— আমি কি জানতমা যে, মাঝপথে প্রকৃতি আমাকে এভাবে ডাকবে। আব্বাজান, তাড়াতাড়ি গাড়িটা কোন এক হোটেলের সামনে নিয়া যাইতে কন না হলে আমার পাঞ্জাবির সাথে আপনারও মান সম্মান হাগুতে মিশে যাবে।
— হারামজাদা একটু চেপে ধরে রাখ।

ঐ ড্রাইভার, তাড়াতাড়ি একটা হোটেলের কাছে নিয়ে যা তো। আব্বার কথা শুনে ড্রাইভার সাঁই করে একটা হোটেলের কাছে চলে এলো। আমি তাড়াতাড়ি নেমে বাথরুমে চলে গেলাম। তারপর আমার হবু বউ সোহানাকে ফোন দিলাম,

–হ্যালো জানু?
— তোমরা কতদূর?
— আমিতো এখন বাথরুমে সোনা।
–মানে!
— মানে টানে পরে শুনো। তোমার কাজিন ফারিয়ারে সবকিছু বলা আছে। সুযোগ পেলেই আমার কথামতো কাজ করবা কেমন?

— আমার খুব ভয় করছে কিন্তু।
— এক মহামানবের বউ হতে চলেছো তুমি, ভয় করলে চলে?
–আচ্ছা ঠিক আছে রাখি এখন।
— হ্যাঁ রাখো।

ফোনটা রেখেই মাজায় হাত দিয়ে হোটেলের বাইরে এসে দাঁড়ালাম। দেখি বরযাত্রী সবাই নেমে এসেছে। আব্বা আমাকে দেখেই বললো,

— কাজ হয়েছে? এবার চল।
— আব্বা?
— আবার কি হলো?
–প্রকৃতি আমায় খুব ভালোবাসে আব্বা, প্রকৃতি আমায় ঘনঘন ধরেছে।
–মানে!
–আমার পাতলা পায়খানা হয়েছে আব্বা ।
— হারামজাদা! শুভ কাজে এমন অশুভ কাজ।
–আব্বাজান, আপনারা আমার গাড়িটা রেখে কনের বাড়ির দিকে যাইতে থাকেন, আমি একটা এসএমসির স্যালাইন খেয়ে আর ট্যাবলেট খেয়ে একটু পরই আসতেছি।
আব্বাজান তার সম্মানের কথা ভেবে বললো,
— ওদিকে সময় চলে যায় আর এখনই তোর এমন করতে হলো। আমরা যাচ্ছি, কাজ সেরে তাড়াতাড়ি বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হবি কিন্তু?
— যথা আজ্ঞে আব্বাজান।

আব্বাজান অন্য গাড়িতে উঠে চলে গেলো। এখন প্ল্যান মোতাবেক আমার দোস্ত আর আপু আছে।
আব্বাজানরে মুরগী থুক্কু মোরগ বানাইতে পারিয়া বেবাক্ খুশি হইছি৷ কিন্তু আবার ভয়ও করছে, আমার আব্বাজান বেজায় রাগী। সে যাই হোক গাড়িতে বসে ফোনটা সুইচড অফ করে আমরা উদ্দেশ্য অনুযায়ী যাত্রা করতে লাগলাম।মেয়ে বাড়ির গেটের কাছেই গাড়ি এসে থামলো। সবাই বর এসেছে বর এসেছে বলে ছুটে আসতেই আব্বাজান লজ্জামাখা সুরে তার বেয়াই সাহেবকে বললেন,

— আসলে ওর গাড়িটা একটু খারাপ হয়েছিল তো, তাই এখনও আসে নি। একটু পরই চলে আসবে।
— আচ্ছা সমস্যা নেই। আপনারা তাহলে এখানেই বসুন, ওদিকে ছেলেমেয়েরা আবার গেটে খাওয়াদাওয়ার আয়োজন করেছে তো বরের জন্যে।
— সমস্যা নেই বেয়াই সাহেব, ও আসলেই সব করা যাবে।
— আচ্ছা ঠিক আছে। বলেই সোহানার বাবা বাড়ির ভেতর চলে গেল।
সময় গড়াতে গড়াতে আধাঘন্টা পার হয়ে এক ঘন্টা হয়ে গেলো অথচ আমার খবর নাই। ওদিকে গেটে সবাই আমার জন্য ঝাল সরবত নিয়ে অপেক্ষা করছে। ধৈর্য্যের সীমারেখা ভেঙে আব্বাজান আমার দুলাভাইকে বললো,

— আব্বাজান, আপনার শালাবাবুরে তাড়াতাড়ি আসতে বলেন ফোন দিয়া। আমি অপমানিত হচ্ছি আর উনি কি এখনও প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিচ্ছেন?

— ফোন দিচ্ছি আব্বাজান একটু সবুর করেন। বলেই দুলাভাই আমাকে ফোন দিলো। কয়েকবার দেয়ার পরও যখন,
‘আপনার কাঙ্খিত নাম্বারটিতে এই মুহূর্তে সংযোগ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না’ কথাটি শুনলো তখন গলাটা শুকিয়ে এলো দুলাভাইয়ের। আব্বা তাকে বললো,

— কি হলো? কতদূর সে?
— আ. আব্বাজান?
— বলো!
— আব্বাজান, আপনার ছেলের নাম্বার তো সুইচড অফ।
— কিহ!
— হ্যাঁ আব্বাজান, আমি আট নয়বার ফোন দিলাম। আপনার মেয়ের নাম্বারেও ফোন দিলাম অথচ সবার ফোনই বন্ধ। মনে হয় ওরা সবাই পালাইছে।
— পালাইছে! কেন পালাইবে। ওরে কি আমি জোর করে বিবাহ দিচ্ছিলাম?
— কি জানি আব্বাজান।
দুলাভাইয়ের কথা শুনে আব্বা খানিক সময় কি যেন ভাবলো। তারপর বললো,

— কেউ জোরে করে বলিও না যে আমার ছেলে পালাইছে৷ এ’কথা ও’কথা বলে সময় পার করাও।
আব্বাজান দুলাভাইয়ের সাথে এসব কথাই বলছিল আর ঠিক তখনই বিয়ে বাড়ির ভেতর থেকে কেমন যেন গোলযোগের আওয়াজ পাওয়া গেল। আব্বাজান সহ কয়েকজন বাড়ির ভেতর যেতেই শুনতে পেলো মেয়ের বাবা কণ্ঠ। সে বলছে,

— একটু আগেও না দেখলাম মেয়েটা সেজেগুজে ঘরেই বসেছিল৷ তাহলে কোথায় গেল আমার মেয়েটা? ওদিকে বরযাত্রীরা সবাই চলে এসেছে। এখন তাদের সামনে আমি কি বলবো? কি করে মুখ দেখাবো?
বউ পালিয়ে গেছে এই রবে বিয়ে বাড়িতে হইচই পড়ে গেল। সবাই যে যার মত গুজব রটাতে শুরু করেছে। অপরদিকে আমার আব্বাজান সোহানার আব্বাকে ডেকে বললো,

— বেয়াই সাহেব, আমার ছেলেটাও মনে হয় পালিয়ে গেছে।
— মানে?
— মানে ও এখনও আসে নি। ফোনটাও বন্ধ।
— কিন্তু আমার মেয়েটা কই গেলো!
— কি জানি।

বিয়ে বাড়িতে আবার হৈচৈ পড়ে গেলো। এবার সবাই আশ্চর্য হয়েছে। হবে নাই বা কেন? একই বিয়েতে ছেলে মেয়ে দু’জনই উধাও। এমন কোনদিন হয়? হয়েছে? সবাই হৈচৈ থামিয়ে শোক পালন করতে লাগলো। আব্বাজান তার বেয়াইকে সান্তনা দিচ্ছে। সবাই চুপচাপ।অপরদিকে আমি, আপু, সোহানা, ওর বোন ফারিয়া আর আমার দোস্ত বসে আছি একটা কাজি অফিসের ভিতরে। কাজি সাহেব সহ ভিতরের সবাই আমাদের দিকে অষ্টম আশ্চর্যের দৃষ্টিতে তাকাচ্ছেন। একটু পর কাজি সাহেব আমাদের ডাক দিলেন। তারপর বললেন,

— পালিয়ে বিয়ে করছেন?
— আরে না, এরেন্জ ম্যারেজ।
— তাহলে বাসাতে না বিয়ে করে এখানে কেন?
আমি তো ভাবলাম পালিয়ে এলেন না কি।
— আপনি কি বোকা? পালিয়ে বিয়ে করলে হয় ছেলে বর সাজা থাকতো না হয় মেয়ে। দু’জন কি একই দিনে পালিয়ে বিয়ে করতো?
— তাও তো ঠিক। তা আপনাদের বিয়ের বিষয়টা আমার মাথায় আসছে না।

এটা কেমন বিয়ে? কাজি সাহেবকে আমার দোস্ত সংক্ষেপে সব বুঝিয়ে দিলো। কাজি অফিসের সবাই এসব শুনে আমার দিকে হা করে তাকিয়ে আছে। তারপর তিনি হা করেই আমাদের বিয়ে টা দিয়ে দিলেন আর আসার সময় বললেন,

— জীবনে অনেক রকমের বিয়ে পড়িয়েছি তবে তোমাদের মতো বিয়ে আর কারও দেখি নি।
— ধুরো। দেখবেন কেমনে? আমিই তো ইতিহাস গড়লাম৷ আগে এমন করলে কি আর ইতিহাস হতো? বলেই মুচকি হেসে সোহানাকে নিয় গাড়িতে বসলাম। গাড়িতে বসতেই আপু বললো,
— আব্বার যে রাগ, আমি কিন্তু তার সামনে যাবো না। তুই একা যাবি৷
— একা কেন যাবো? সবাই গিয়ে আব্বার কাছে আমার এই মহান কাজের জন্য বলবো। সে তো আরও খুশিই হবে।
— খুশি হবে কি না জানি না৷ তবে তোর কপালে দুঃখ আছে রে আসফু।
— সেসব পরে দেখা যাবে, আগে শ্বশুর বাড়ি তো যাই।

গাড়ি থেকে সোহানাদের বাড়ির সামনে নামলাম। চারদিকে শুনশান নিরবতা। মনেই হচ্ছে না এটা কোন বিয়ে বাড়ি। বাংলা ছবির মত আমি সোহানার হাত ধরে ওদের বাড়ির দিকে এক’পা এক’পা করে এগিয়ে গেলাম। ওদের বাড়ির উঠোনে যেতেই দেখি সবাই গালে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আমাদের দেখেই একটা তোতলা বাচ্চা বলে উঠলো,

— বল এথে থে, বল এথে থে।

ওর কথা শুনেই সবাই আমাদের দিকে তাকালো। আমাদের দু’জনকে একসাথে দেখে হয়তো সবাই অবাক হয়েছে। তবে আব্বাজান হয়তো ভীষণ রেগে গেছেন। তিনি থরথর করে কাঁপতে কাঁপতে আমার কাছে এসে কষে ডান গালে একটা থাপ্পড় দিয়ে বললেন,

— এই তোর প্রকৃতির ঘনঘন ডাক দেয়া। হারামজাদা! আমাকে মিথ্যা বলে অপমানিত করা?
— আব্বাজান, আমার কথা শুনেন।
— কিসের কথা!
— আগে শুনেনই না আব্বাজান।
— কি বলবি?
— এক গালে থাপ্পড় দিলে নাকি বিয়ে হয় না, আরেক গালে দেন আব্বাজান।
— হারামজাদা বিয়ে দিবো বলেই তো আনছিলাম। তুই কই ভাগছিলি হ্যাঁ?
— আমিও তো বিয়ে করতে গেছিলাম।
— মানে?
— না মানে আব্বাজান, সবাই তো হয় পরিবারের মত নিয়ে বিয়ে করে আর না হলে পালিয়ে। তাই আমি সেই ছোটবেলা থেকেই ভাবতাম এমন ভাবে বিয়ে করবো যেন সেটা ইতিহাস হয়ে থাকে। তাই বউকেই তুলে নিয়ে গিয়ে পালিয়ে বিয়ে করলাম। আব্বা, এইডা ইতিহাস হয়নি? আব্বাজান আমার বাম গালে কষে আরেকটা থাপ্পড় দিয়ে কইলো,

— হয়নি মানে, এইডা তো সব’চে বড় ইতিহাস হয়ে গেছে।

তারপর সবাই আমার প্ল্যান শুনে সে কি হাসি। অবশেষে শ্বশুরবাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে সোহানাকে সাথে করে বাড়ির দিকে রওনা হয়েছি। পথেই ফিসফিস করে সোহানাকে বললাম,

— ওগো, কেমন ইতিহাস হলো?
— কচু হয়েছে।
— তাই! তাহলে বাসর ঘরে আরকটা ইতিহাস রেডি করবো, হি হি।
— যাহ শয়তান। বলেই সোহানা আমার বামহাতে ওর ইয়া বড় নখ দিয়ে খামচি দিলো।

ইশ্ রে।সে যাই হোক, আমি তো একটা ইতিহাস গড়েছ!

গল্পের বিষয়:
ভালবাসা

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত