বটগাছের ভয়ংকর ভূত

বটগাছের ভয়ংকর ভূত

ঘটনাটা আমার বড় ভাইয়ের বন্ধু ‘র সাথে ঘটে! ২০১২ তে যার সাথে ঘটনা ঘটে তার নাম ছিল- ফরহাদ তালুকদার!
তিনি একটা বেসরকারি কম্পানিতে চাকুরি করতেন। ব্যাচেলর মানুষ থেকে” বিবাহ করতে চলেছেন…।
মেয়ে দেখা চলছে…
‘ফরহাদ ভাইয়ের- বাসার সবার “মেয়েকে পছন্দ হয়েছিল- এমন কি ফরহাদ ভাই নিজেও খুব পছন্দ করে ফেলে!
কিন্তু মেয়ে’র বাবা ‘র মত ছিল না – আর না হলে মেয়ে পক্ষের সবার সহমত হয়।
হুট করে বিবাহ দিন ঠি করা হয়।
.
এবং তারা দুজন ‘ই বিবাহ করে।
তাদের” বিবাহ -জীবন বেশ ভালোই যাচ্ছিল।….
বিবাহ করার ৩ বছর পর… তাদের সংসারে নেমে আসে অসান্তির আগুন।
সাবিনা ভাবির – (ফরহাদ ভাইয়ের বউ এর নাম সাবিনা)” সাবিনা ভাবি খুব’ রাগি এবং ‘বায়নাদার যেটা বলে সেটায় যেন করতে হবে!
‘প্রায় সময় ভীষন বায়না করা শুরু করে যেমন ফ্ল্যাট,বেশি করে গয়না, অলংকার, এগুলা নিয়ে প্রায়দিনই তাদের মধ্যে ঝগড়া হত।
আর ফরহাদ ভাইয়া সব বায়না পূরুন করতে পারছিল না!!!
.
একদিন রাত ১০- টা দিকে ফরহাদ ভাই ও ‘সাবিনা- ভাবির তমুল” ঝগড়া শুরু হয়।
‘এবং “ঝগরা এমন পর্যায়ে চলে যায় ভাবি বাপের বাড়ি যেতে বাধ্য হয়- এবং ডিবোর্সের কথা বলে বাসা তাদের -১ এক বছরের একটি মেয়ে *

মিম কে নিয়ে চলে যায় বাপের বাড়িতে!!!!
তখন রাত ১০:৩০ এর মত।
.
ফরহাদ ভাইয়ের খুব কাছের বন্ধু ছিল আমার বড় ভাইয়া! তাই সাথে সাথে সব কথা আমার বড় ভাইয়ের কাছে ফোন দিয়ে জানায়!
.
কিন্তু তখন ভাইয়া এলাকায় ছিলেন না – তাই ফরহাদ ভাইকে বললেন যে কাল এসে দেখবো কি করা যায়!চিন্তা করিস না !!
.
ফরহাদ ভাই পরিবার সবার সাথে কথা বলে অনেক চিন্তা ভাবনা করে –
সির্দান্ধ নেয় এখুনি সাবিনা ভাবির বাসায় যাবে – সাবিনা ভাবির বাসা ১ ঘন্টার রাস্তা ছিল।
যে ভাবা সেই কাজ। রাত ১২ টার দিকে ফরহাদ ভাই চলল সাবিনা ভাবিকে নিয়ে আসতে।
এবং ফরহাদ ভাই ভাবিদের বাসায় যেতেই সেখানে গিয়েই দেখে সবার মাঝে খুব রাগ বিড়াজ করছে।
এবং ফরহাদ ভাই সবাইকে সব কথা খুলে বুঝাতে চাচ্ছে কিন্তু কেউই ফরহাদ ভাইয়ের কথা শুনল না । অনেক সময় কথা বলার পর ও কিছু হল না!
বরং ধমক দিয়ে বাড়ি থেকে বেড় করে দিল- কিন্তু’ ফরহাদ ভাই বাড়িতে যাবেন না সাবিনা ভাবি কে না নিয়ে।
তারপর ফরহাদ ভাইকে তারা একটু মারদোর করে।
তারপর ফরহাদ ভাইকে বাড়ি থেকে বের করে দেই।
ফরহাদ ভাই ভীষন্ন মনে গভীর রাতে সেখান সাবিনা ভাবিদের বাড়ি থেকে চলে আসতে লাগল।
.
তখন রাত প্রায় ৩ টা।
এত রাতে সিএনজিস্টেশন যেতে কোন গাড়ি ছিল না। তাছাড়া যে রাস্তা দিয়ে এসেছিলেন, সেই রাস্তা দিয়ে হেটে আসলে অনেক সময় লাগবে!

তাই হ সর্টকার্ট রাস্তা ধরে হেটে হেটে সিএনজিস্টেশন পর্যন্ত আসছিল…
.
কিন্তু ফরহাদ ভাই যে রাস্তা দিয়ে চলছে!
.
সে রাস্তার যেতে বড় একটা বটগাছ পরে।
আর সেই বটগাছ নিয়ে অনেক ভৌতিক কাহিনি আছে। এলাকার অনেক মানুষ নাকি ঐ বটগাছের নিচে অদ্ভুদ কিছু দেখে!

এবং বাজে ধরনের কিছু ঘটেছে…
কিন্তু ফরহাদ ভাই তার শশুরবাড়ির এই বটগাছ কে নিয়ে আজব ঘটনা জানত না।
.
তাছাড়া সেদিন রাতে ফরহাদ ভায়ের মন ভীষন খারাপ ছিল। আর এত রাতে সেই রাস্তায় মানুষ তো ছার কোন কুকুর ও ছিল না।
ফরহাদ ভাই নিরব মনে হেটে হেটে সিএনজিস্টেশন অবদি আসতে লাগল..
আসতে আসতে যখন সেই ভৌতিক বটগাছ এর কাছে আসে। তখন ফরহাদ ভাইয়ের মনে হল তার পিছন পিছন কেউ আসছে!
তিনি পিছন ফিরতেই দেখে কিছু নেই!…. কিন্তু তিনি স্পষ্ট শুনতে পেল কেউ ডেকেছিল।
কিন্তু ফরহাদ ভাই তখন খুব অসসস্তি বোধ করছে! তার মনে হচ্ছে কেউ যেন তাকে ফলো করছে!
ফরহাদ ভাই তখন একটু একটু ভয় পায়।
.
তখন তার মাথায় অন্য চিন্তা ঘোর পাক খাচ্ছিল!
তাই একটা সিগারেট ধরিয়ে আবার হাটাঁ শুরু করলেনন-
কিন্তু আজব”- হঠাৎ করে ফরহাদ ভাই স্পষ্ট শুনতে পেলেন- তাকে কেউ ডাকছেন….
গলার কন্ঠ ধরতে পারলেন না। খুব বাজে ভয়ানক সুরে ডাকছিল!
কন্ঠ শুনে ফরহাদ ভাই একটু ভয় পেয়ে গেলেন এবং পিছন ফিরলেন – কিন্তু পিছনে কেউ নাই। ফরহাদ ভাই তখন আরো ভয় পেতে শুরু করে!
তারপর শুরু হয়ে ভয়ংকর ভৌতিক
কাহিনি- তার চেনা জানা সকল কাছের মানুষের গলায় ডাক শুনকে পারছে-
কিন্তু তিনি পিছন ফিরে কাউকেই দেখতে পান না-
তিনি ভয়ে ভয়ে এখান থেকে চলে যেতে চাচ্ছে-
আবার আসতে করে হাটা শুরু করলো..
.
হঠাৎ সামনে অনেক বড় এক ছায় অভয়ব দারিয়ে একপা বটগাছে অন্য পা বটগাছের অপর প্রান্তে!
এক কথায় পুরো রাস্তা ব্লক করে দাড়িয়ে আছে সেই ভয়ংকর অভয়ব!!!
কিছু বলছে ও না!! কিছু করছে ও না!!
হঠাৎ ঘরঘর কন্ঠে অভয়ব টা বলল তার পায়ে নিচ দিয়ে যেতে! না হলে যেতে দিবে না!
আর ফরহাদ ভাই এসব ব্যাপারে কিছুই জানতেন না তিনি সেই অভয়বের পায়ের নিচে দিয়ে চলে আসলেন বাড়িতে!!!!
.
এবং বাড়িতে এসে শশুর বাড়ির কাহিনি সহ সেইসব ভয়ানক কথা সবাই কে সেয়ার করে!
ফরহাদ ভাইয়ের মা ঘাবড়ে যায়। এসব ব্যাপারে টুকটাক জানতো ফরহাদ ভাইয়ার মা – তাই তিনি কি কি দিয়ে যেন ফরহাদ ভাই কে

গোসল করালেন সেই রাতে!
আর না খেতে বলে! “কিন্তু ফরহাদ ভাই খুব ই ক্ষুদার্থ ছিলেন তাই তিনি – শুটকি আর মাছ দিয়ে রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পরে!।
.
এবং সকালেই ফরহাদ ভাইয়ের অসম্ভব জ্বর শুরু হয়! ডঃ এর কাছে নিয়ে যাওয়া হয় কিন্তু অভাক ব্যাপার তিনি তখন আবার সুস্ত হয়ে উঠেন!

তারপর সবাই আবার বাড়ি চলে আসেন!
ঠিক সেই রাতেই -ফরহাদ ভাই চ্যাঁচামেচি করছেন তার রুমে বাসার সবাই যায় তার শব্দ শুনে।
গিয়ে দেখে তার “শরীর পুরোটা আছরানো’ বাগ “জীবজন্তু সীকার’ করলে যেমন: আছরে ফেলে তেমন ।
আর তার নাক,মুখ,কাঁন দিয়ে রক্ত বেরুচ্ছে!
আর তিনি সাথে সাথে মারা যান!-
‘আর পরিবারে এবং এলাকা বাসি জানতে পারাতে সবাই দোষারপ করে সেই বটগাছ কে!! ফরহাদ ভাইয়ের মৃত্যুর কারণ নাকি সেই অভিশপ্ত ভয়ংকর বটগাছ!!!

 

…………………………………..সমাপ্ত………………………………..

গল্পের বিষয়:
ভৌতিক
DMCA.com Protection Status
loading...

Share This Post

আরও গল্প

সর্বাধিক পঠিত