গল্প:কে সে

গল্প:কে সে

প্রাই বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে বাড়ি থেকে বের হই।আগের সব দিন সন্ধ্যার আযানের আগেই ফিরি। কিন্তু আজ সন্ধ্যার আযানের পর ফিরছি বাড়ি। আসলেই আজ অনেক দেরি হয়ে গেল।আমি যেখান দিয়ে বাড়ি যাই সে জায়গাটা চার পাশে জঙ্গলে ভর্তি। নিরব জায়গা যেখানে সন্ধ্যার আগেই মানুষ যাতায়াত বন্ধ করে।আর আজ এই সময় আমি জঙ্গল দিয়ে বাড়ি যাচ্ছে। একটু পরেই ঘুটাঘুট অন্ধাকার মধ্যে নেমে এলো আকাশের চাদের যস্না।চাদের আলোতে পথটা ভালোই দেখা যাচ্ছে। কিন্তু ভয় করছে কোনো যন্তু জানোয়ারের পাললায় না পরি। নিরব জায়গাটায় চুপ করে হাটতে আরো ভয় করছে। আশে পাশে কোনো ঘড় বাড়িও নেই।আমি চুপচাপ হেটে যাচ্ছি।

হঠাৎ আমার মনে হলো কেও আমাকে পিছু করছে। আমি মাথাটা পিছনে ঘুড়াতেই মনে পরল।শুধু মাথা নয় পুরা শরিলটাই ঘুড়াতে হবে। আমি দারিয়ে পুরা শরিলটা ঘুড়িয়ে দেখি কেও পিছনে নেই। শুধু জঙ্গলের উপর জঙ্গল দেখা যাচ্ছে। পিছনে তাকিয়ে শরিলটা শিউরে উঠল। সামনে তাকিই আবার হাটা দিলাম। একটু পর আমার আবার মনে হলো পিছনে কেও একটা আছে। পিছনে তাকাতেই থমতে গেলাম যা দেখছি তা জানটা উড়ার মত। এই ভড়া নিরব জঙ্গলে এই রকম কিছু দেখে মৃত্যু হান্ডেট %। কালো পোশাক মাথায়টা দেখা যাচ্ছে না শুধু আলো জলে আছে। আরএত লম্বা যে আমার গাড়টা উপরে তুলতে হল।ভয়ে কিছু মাথায় আসছে না চিক্কার করব না পালাব।না আজ জীবনটা দিয়ে যাব।

কিছু না ভেবে চিক্কার দিয়ে পালালাম সামনের দিকে। কিছুক্ষণ দৌড়াতেই পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখি কাউকে দেখা যাচ্ছিল না। বড় একটা গাছের গোড়ায় গা হেলান দিয়ে বসে পরে চার দিক টা ভালো করে দেখছি।কিচ্ছু চোখে পরছে না। মনে মনে ভাবছি।আল্লাহ বাচাও আমায়।

সকাল হতেই ঘুম ভাঙ্গল আমার।হঠাৎ লাফ দিয়ে উঠে চার দিক টা ভালো করে দেখলাম।রাতে যেমন ছিল তেমনটা নেই। আর রাতে এত ভয়ে কেমনে ঘুমিয়ে গেলাম টেরই পেলাম না। গাছের পাতার ফাকে ফাকে সূর্যের আলো চোখে লাগছে।কোদ্দুর ধুরে দেখি লোক জাতায়াত করছে। তখন জোরে একটা নিঃশ্বাস ফেলতে ফেলতে বললাম আল্লাহ মৃত্যুর হাত থেকে বাচালে।

গল্পের বিষয়:
ভৌতিক

Share This Post

সর্বাধিক পঠিত